/ সাহিত্য
শ্রাবণের বর্ষা -খন্দকার ফিরোজ আহম্মেদ শ্রাবণের বরষা ঝরছে তো ঝরছেই বৃষ্টির ফোঁটারা টুপটাপ পড়ছেই। নদীনালা ডোবারা ডুবছে তো ডুবছেই ছিচ্ছিড়ে কাদাতে কাঁচাপথ ধুকছে কঁচিকাঁচা সোনারা পিছলিয়ে পড়ছে হাঁটুজলে পাটগাছ হেলেদুলে ...
সুখ-দুখের বারোমাস -রহমান মুস্তাফিজ এসেছিলাম কলম হাতে বৃষ্টিভেজা দিনে লিখেছিলাম কাব্যকথা অভিজ্ঞতা হীনে। লিখছি না তো এমন কিছু লেখছি হাবিজাবি, লেখার ভাঁজে শুধুই ছিল বেঁচে থাকার দাবী। তবু আমায় আমজনতা
রক্তে কেন ভাসায় -বেলাল মোহাম্মদ জীবন   বাচ্চাগুলো স্কুলে দেই মানুষ হবে আশায়, অনিরাপদ সড়কপথে রক্তে কেন ভাসায়? গা জ্বলে যায় বাঁকা কথায় দাঁত কেলানো হাসায়, আর কিছু নয় জবাবটা
সংবরণ -নাসরিন পাঠান গোবর-মাটিতে যেকোনো ফসল ভালো জন্মালেও গোবর-মগজের দূর্গন্ধে অসুস্থ জাতি; অবগুণ্ঠনে জাতির বিবেক! শ্রাবণের আকাশ শান্তির বারি ঝরালেও রক্তস্নাত ভোরের শিউলি; সদ্যোজাত উদ্ভিদ, অথচ ইয়া নফসি ইয়া নফসি
সুরক্ষিত সড়ক চাই       -করিম সুমন বাসের নীচে চাপা দিয়ে নিচ্ছে জীবন কেড়ে, তার প্রতিবাদ করতে গেলে আসছে পুলিশ তেড়ে। মরছে শিশু জোড়ায় জোড়ায় মারছে বাসে পিষে, হয়
সমতা -নাসরিন পাঠান কণ্ঠ রোধে কষ্ট বোধে স্বস্তি শান্তি নয় ক্রোধে। নীতি-রীতি চিরসাথী পাশাপাশি দিয়া-বাতি। এক হেলে এক খেলে বিশ্ব সাজে লাল-নীলে। কত দেখি মিত্র মেকি ঢেঁড়া পিটে নগ্ন নেকী।
নেটের কুফল -করিম সুমন সব জিনিষের ভালোমন্দ দুটি দিকই থাকে, ভালোটা তার যায় হারিয়ে পড়ে মন্দপাকে। এই প্রজন্ম দিবারাত্র মগ্ন থাকে নেটে, ভালোমন্দ কতকিছুই দেখে ঘেঁটে ঘেঁটে। ইচ্ছে হলে গ্রহণ
আমি নিম্ন ভাড়াটিয়া -গুলজার হোসেন গরিব    আমি লেবার নিম্ন ভাড়াটিয়া থাকি বাসাভাড়া করে দিন আনি দিন খাই দেহ মোর সম্বল সব দেহ’পরে ক’বছর বেশ ভালোই কেটেছে স্বপরিবার নিয়ে আসবাব
তৃষিত তিস্তা –নাসরিন পাঠান দাঁড়িয়ে গেলাম, সমুদ্র,তুমি দেখো আমি দাঁড়িয়ে গেলাম দাঁড়িয়েই রইলাম একবুক বিতৃষ্ণা নিয়ে। আবেগে,উদ্বেগে,উচ্ছ্বাসে,উল্লাসে ভালোবাসার প্রবল টানে আর কখনো-ই ছুটবো না দিনরাত ছুটে-ছুটে তোমার নিকটে পৌঁছে আর
শাহনেওয়াজ সুমন।। এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো–এটা তোর কাকুর