যে কোটটি জাতীয় রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ পোশাক, যে কোট নিয়ে জাতি গর্ব করে, যে কোট শেখ মুজিবের – সে কোট যখন কোন শয়তান পড়ে, আওয়ামীলীগকে কলঙ্ক তিলক পড়াতে যারা এ ...
জাতি গঠনের কারিগর, জাতির বিবেক, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান খ্যাত শিক্ষকরা আজ বড় অসহায়। সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী জাতির এ বাতিঘর দের করুণ জীবন-যাপন, কষ্টের দিনাতিপাত, তাদের অসহায়ত্ব, সীমাহীন কষ্টের নিদারুণ প্রাত্যহিক জীবন
মানব জাতি মানব সভ্যতার ধারাবাহিক ইতিহাসের ধারায় এমন কিছু দুঃখজনক, বেদনাদায়ক, হৃদয় গ্রাহী ঘটনা সংযোজিত হয়েছে যা অধ্যায়ন করলে মন শুধু ব্যথিত ও মর্মহত হয়। আর এ সব ঘটনা সংঘটনের
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বহুধারায় বিভক্ত। আমাদের দেশে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি মাধ্যম শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা কারিকুলাম আবার বিভিন্ন ধারা উপধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে আলিয়া
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি জীবনে দুইটি উচ্চতর গ্রেড পাবে তাও যদি আবার আইনের মারপ্যাচে পরে পিছিয়ে যায় অর্থাৎ যাদের চাকরির বয়স এমপিওভুক্তির হিসেবে ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে তাঁরাও এখন উচ্চতর
১৯৯০ ইংরেজিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন ১৯৯০ সালের ২৮ নং আইন। ১৯৯৯ সালে সেই আইনের অনুবলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা
আমার কাছে মনে হয় যুগ আধুনিক হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতির সাথে আমাদের কম-বেশি এগিয়ে যেতে হবে। কিন্তু ডিজিটাল অনলাইন ক্লাস বাংলাদেশের মতো জায়গায় খুবই কঠিন একটা ব্যাপার। হ্যাঁ, এটা হয়তো সীমিত
আমার ত্রিশটি বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়িয়েছি। ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় কতেক সমাধান করতে পেরেছি বাকি কিছু স্মৃতি। তথাপি সমাধান খুঁজি একাকী বাঁ সম্মিলিতভাবে। একথাটি ইদানিং সবাই একবাক্যে স্বীকার
আজ ১৬ জুলাই। গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার আরেক কালো দিবস। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে যাওয়া, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার, গরীব, দুঃখী ও মেহনতী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যিনি নিরন্তর বিরোধীদলীয় নেত্রী
এম.এ. মতিন।। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি দুটি ধারা বিদ্যমান। এদেশের শিক্ষাখাতের মাত্র ৩% সরকারি আর অবশিষ্ট ৯৭% বেসরকারি।আবহমান কাল থেকেই সরকারি ও বেসরকারির মধ্যে রয়েছে পাহাড়সম বৈষম্য। বেসরকারি শিক্ষকরা