গত সপ্তাহে ধর্ষনের শাস্তি মৃত্যু দন্ড, একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।। এর উপরে একটি কলাম লিখে ছিলাম সেটি দি বাংলাদেশ টুডে এফএনএস, নতুনবাজার২৪ডটকমসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়েছিল, এ সপ্তাহে কি ...
সম্মানিত শিক্ষক বৃন্দ, আস্সালামু আলাইকুম/আদাব। একটি বিষয় সম্পর্কে সকলের পরিষ্কার ধারনা থাকা অতি জরুরী। সম্মানিত ডিজি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম ফারুক স্যার সবে মাত্র মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে যোগদান
করোনা মহামারির কারনে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব আজ বিপর্যস্ত।মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিচক্ষণ নেতৃত্বে তা মোকাবেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ আছে। আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই খুলে দেওয়া হবে। বাংলাদেশের
জাতীয়করণ আদায়ের লক্ষ্যে সকল সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রতি সাধারণ শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান। আমরা আর পিছনে যেতে চাই না। আমরা চাই দাবি নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে। আমরা চাই সফলতা। আমরা চাই
আমরা মুসলিম আমরা বাঙালী বা অন্য ধর্মের অনুসারী কিন্তু আমাদের আসল পরিচয় আমরা বাঙালী। আমাদের কেউ এ্যারাবিয়ান, বেদুইন, পাঞ্জাব, আমেরিকান বা চায়নিজ বলে ডাকবেনা ডাকবে শুধু বাঙালী বলে। আর আমরা
দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত না হওয়ার কারণে অনেক স্বীকৃতি প্রাপ্ত নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করে আসছে। পরিবার বর্গকে নিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত। সংসারের বরণ পোষণ করাই কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে শিক্ষকদের জীবনযাপনে। নিজের
এমপিওভুক্ত প্রভাষকদের সহকারী অধ্যাপক পদ প্রাপ্তির জন্য এসিআর পদ্ধতি চালুর সুপারিশ করতে যাচ্ছে নীতিমালা সংশোধন কমিটি। সরকারি কলেজে ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এসিআর পদ্ধতি চালু রয়েছে। তবে পার্থক্য হল সরকারি কলেজে
কৃষকের আমন ধান চাষ করে ধান উৎপাদন করতে সার, বীজ, কীটনাশক, নিড়ানী, কৃষি শ্রমিক ইত্যাদিতে কি পরিমান ব্যয় এবং বর্তমানে ধানের বাজার মূল্যেতে কি কৃষক লাভবান হবেন না ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে
গত কয়েক দিন যাবত সারা দেশে ভাইরাল হওয়া দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার একটি সংবাদ “বেসরকারী শিক্ষকদের বেতনের টাকা দেওয়া হবে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে” শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে তা ভিত্তিহীন। নাম
করোনাকালীন সময়ে সারা বিশ্ব একটি দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো যেখানে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অবস্থা আরও করুণ। স্বাস্থ্যখাত পর্যবেক্ষণ করলে দেখা