করোনায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতি : শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের গুরুত্ব

অধ্যক্ষ মোঃ শাহজাহান আলম সাজু
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০, ৯:৩১ অপরাহ্ন
করোনায় বিপর্যস্ত পরিস্থিতি : শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের গুরুত্ব

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা বহুধারায় বিভক্ত। আমাদের দেশে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি মাধ্যম শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা কারিকুলাম আবার বিভিন্ন ধারা উপধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে আলিয়া মাদরাসা ধারা ও কওমি মাদরাসা ধারা অন্যতম।

আলিয়া মাদরাসা সরকারের নির্দিষ্ট কারিকুলামে পরিচালিত হলেও কওমি মাদরাসাগুলো আরবি মাধ্যমে তাদের নিজস্ব কোর্স কারিকুলামে পরিচালিত হয়ে থাকে। এছাড়াও ইসলামি ফাউন্ডেশন তাদের নিজস্ব কোর্স কারিকুলামে প্রাক-প্রথমিক শিক্ষা পরিচালনা করে থাকে। এর বাইরে সম্পূর্ণ বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বিপুল সংখ্যক কিন্ডারগার্টেন রয়েছে, যেখানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন এনজিও পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। স্বাধীনতা লাভের পরও প্রায় চার দশক যাবৎ বাংলাদেশে কোন শিক্ষানীতি না থাকায় শিক্ষা ব্যবস্থায় এসব বিভিন্ন ধারা উপধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের প্রায় ৯৭% শিক্ষা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে প্রায় ৩৩ হাজার এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ ৩০ হাজার। যারা সরকারি বেতন স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন। এর বাইরেও আরো পাঁচ/ছয় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা সরকারি এফিলিয়েশনভুক্ত হলেও এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিপুল সংখ্যক শিক্ষক কর্মচারীগণ কোন বেতনই পান না। এছাড়াও এমপিওভুক্ত বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অনেকে ননএমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী রয়েছেন যারা সরকার থেকে কোন বেতন পায় না। প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের যৎসামান্য বেতন দেয়া হয়ে থাকে। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মান নিয়েও অনেক প্রশ্ন আছে। কোন কোন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে।

বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষার বিরাজমান বহু সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য ২০১০ সালে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে, যা ইতিহাসের একটি মাইল ফলক। ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, ৩৩০টি কলেজ, ২২০টি উচ্চমাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণ, বেসরকারি শিক্ষার বৈষম্য দূরিকরণের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় বেতন স্কেলে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন দিগুণ বৃদ্ধি, ৫% ইনক্রিমেন্ট, ২০% বৈশাখী ভাতা, কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের জন্য ১৬৭৭ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ, ২০১০ সালে ১৬২৪টি এবং এবার ২৭৩০টি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন করেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও আজ বিশাল বিশাল ভবন দৃশ্যমান। বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেয়া এ সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফাণ্ড গঠন, বিভিন্ন পর্যায়ে উপবৃত্তি চালু, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির পাশাপাশি পোষাক ও ব্যাগ কেনার জন্য নগদ অর্থ প্রদান, দুপুরে খাবার সরবরাহ বর্তমান সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এসব উদ্যোগের ফলে শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের আগ্রহ বাড়ছে ফলে ঝড়ে পড়ার প্রবনতা হ্রাস পেয়েছে।

সরকার শিক্ষার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণের পরও এখনো অনেক সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে। শিক্ষার টেকসই উন্নয়নের জন্য এসব সমস্যা সমাধান একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে সরকারি বেসরকারি শিক্ষায় ব্যাপক বৈষম্য দূরিকরণে এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। কারণ ৯৭% বেসরকারি শিক্ষাকে অবহেলা করে শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি সম্ভব নয়। দেশের বেসরকারি শিক্ষকরা আজ ব্যাপক বৈষম্যের শিকার। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপ, ক্ষমতার অপব্যবহার বেসরকারি শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা। ব্যবস্থাপনা কমিটি কিংবা গভর্নিং কমিটিতে অতিমাত্রায় রাজনীতিকরণ এই সমস্যার প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির হাতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরি নির্ভর করে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষকরা সবসময় কমিটির কর্মকর্তাদের তোষণে ব্যস্ত থাকতে হয়। কমিটির সভাপতি অধিকাংশই রাজনৈতিক বিবেচনায় বা প্রভাবে মনোনিত বা নির্বাচিত হয়ে থাকেন। ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন। এই সুযোগে অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ নিজস্ব স্বক্রিয়তায় প্রতিষ্ঠানের কাজ কর্ম পরিচালনা করতে পারেন না। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের অর্থেরও অপব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে কমিটিকে কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভিন্ন দলাদলির ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি কিংবা সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার বিধান না থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত সমাজ বিরোধী ব্যক্তিরাও কমিটির কর্তা হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অযাতিত হস্তক্ষেপ করেন। তাদের ইচ্ছামত কাজ না করলে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ শিক্ষকদের চাকরি থাকে না। ফলে চাকরি রক্ষার জন্য কমিটি এসব অনাকাঙ্খিত ব্যক্তিদের ইচ্ছা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধানদের চলতে হয়। তাদের অন্যায় আবদার মানতে হয়। যার প্রভাব পড়ছে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থায়।

একদিকে বেসরকারি শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি বিশাল অংশ বেতনবিহীন। এসব প্রতিষ্ঠানে যারা বেতনভুক্ত তারাও সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে বিভিন্ন বৈষম্যের শিকার। তারা মাত্র এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও পাঁচশত টাকা মেডিকেল ভাতা পান, যা খুবই অপ্রতুল। শিক্ষকদের পেটে ক্ষুধা রেখে ভালো পাঠদান সম্ভব নয়। তাদের বেঁচে থাকার জন্য ন্যূনতম চাহিদা রাষ্ট্রকে বহন করতে হবে। এছাড়া কমিটির অযাচিত হস্তক্ষেপ তো আছেই। এসব নানাবিধ কারণে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি জোরদার হচ্ছে। উল্লেখ্য এসবদিক বিবেচনায় একটি টেকসই শিক্ষার জন্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় কোষাগার যখন শুন্য ছিল তখন তিনি ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে শিক্ষার ভিত রচনার মাধ্যমে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কোভিড-১৯ এর প্রভাবে সারাবিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় আজ চরম হুমকির সম্মুখীন। উন্নত বিশ্বে আধুনিক সকল ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তারা আজ শিক্ষা ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে হিমসিম খাচ্ছে। আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর অবস্হা তো আরো করুণ। করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের শিক্ষা আজ চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে। ইতোমধ্যে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষায় ধস নেমেছে। অনেক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। হাজার হাজার ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ চরম অর্থ সংকটে নিপতিত হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ননএমপিও শিক্ষকরাও আজ অর্থ সংকটে পড়েছেন। মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি’র উপর নির্ভরশীল এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা আজ অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়া করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ স্বল্প আয়ের পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখা অব্যাহত রাখা নিয়েও আজ অনেকেই সংশয় প্রকাশ করছেন। গত ২২ জুলাই, ২০২০খ্রি. ইউনেস্কোর এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে সারাবিশ্বে ৪ কোটি শিশু স্কুল শুরুর প্রারম্ভেই শৈশবকালীন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি টেকসই অবস্থানে দাড় করানোর লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি আজ যৌক্তিক দাবিতে পরিণত হয়েছে।

করোনা পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি টেকসই কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) ইতোমধ্যে সরকারের কাছে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণসহ নয় দফা দাবি পেশ করেছে। স্বাশিপের যুক্তি হলো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্হায়ী এবং সাধারণ ফাণ্ডের ব্যাংকে রক্ষিত বিপুল পরিমাণ অর্থ, এসব প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি এবং প্রায় দুই কোটি শিক্ষার্থীর ভর্তি ফি,টিউশন ফি, সেশন ফি রাষ্ট্রিয় কোষাগারে জমা করা হলে জাতীয়করণের জন্য সরকারের খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হবে না। কারণ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা এখন সরকারি বেতন স্কেলে শতভাগ বেতন পাচ্ছেন। এছাড়া তারা এখন সরকারি অনুরূপ বার্ষিক ৫% ইনক্রিমেন্ট ও ২০% বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন। ফলে এখন বাড়ি ভাড়া, মেডিকেল ভাতা ও অবসরকালীন সময়ে পেনশন বেনিফিটের ব্যবস্থা করতে হবে।

বর্তমান সরকার বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য ৫% ইনক্রিমেন্ট চালু করায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের মূল বেতনের সাথে ৫% ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে কল্যাণ ও অবসর সুবিধা প্রদান করায় তারা আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হচ্ছেন।

বর্তমানে একজন শিক্ষক কর্মচারি তাদের প্রদত্ত চাঁদার চেয়েও ১৮/১৯ গুণ বেশি আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে কল্যাণ ও অবসর সুবিধার দায়ও এখন সরকারকেই বহন করতে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনায় শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষক কর্মচারীদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বল্প বেতনে রাষ্ট্রিয় পৃষ্ঠপোষকতায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা শিক্ষার সুযোগ পাবে । তাছাড়া শিক্ষক কর্মচারীদের চাকরির নিশ্চয়তা, আর্থিক সামর্থ্য ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং কমিটির অযাতিত হস্তক্ষেপ বন্ধ হবে। তাঁরা স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি পঠন পাঠনেও অধিক মনোযোগী হতে পারবেন। এসব কারণে শিক্ষার গুগতমানও বৃদ্ধি পাবে।

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হলে করোনার মত ভবিষ্যতে আরো এ রকম মহাদুর্যোগে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এমন দূরাবস্থার সম্মুখীন হতে হবে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্হা জাতীয়করণের যে সূচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের বাকি কাজটুকু সমাপ্ত হোক এই প্রত্যাশা আজ শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক ও সর্বস্তরের মানুষের।

লেখক

সাধারণ সম্পাদক, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ)

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ