কেন আমি প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতির পরিবর্তে অধিদপ্তর আওতাধীন বিষয় ভিত্তিক পদোন্নতি চাই?
১। বদলি ব্যবস্থা চালুকরণের নিমিত্তে :
প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতি থাকলে, বদলি ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব হবে না। কারন কোন কলেজে প্রভাষক পদ শূণ্য হলে, সেই পদে সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার কোন শিক্ষক বদলি হয়ে আসতে পারবে না। এবং সহকারী অধ্যাপক পদ শূণ্য হলে, প্রভাষকরা ঐ শূণ্য পদের চাহিদা দিতে দিবে না।
অধ্যক্ষ শূণ্য পদের চাহিদা দিলে প্রভাষকরা শিক্ষাদানে আগ্রহ হারাবে। এবং প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে। তাই বদলি ব্যবস্থা চালুকরণের স্বার্থে প্রভাষকরা চাই প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতির পরিবর্তে অধিদপ্তরাধিন বিষয় ভিত্তিক অটু পদোন্নতি।
২। শিক্ষকের পূর্বে ছাত্রের পদোন্নতি রোধকরনের জন্য :
প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক পদের সংখ্যা অনুপাতিক হারে নির্দিষ্ট হওয়ায় অনেক প্রভাষকগনকে আজীবন প্রভাষকই থাকতে হয়। কিন্তু তার ছাত্রটি অন্য কোন নতুন কলেজে চাকুরী হওয়ায় ৮বছরের মাথায় সহকারী অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছে। বিষয় ভিত্তিক পদোন্নতি ব্যবস্থা থাকলে,যেহেতু seniority তালিকা ভিত্তিক পদোন্নতি হবে, সুতরাং ছাত্রটি অন্য কোন কলেজে চাকুরী করলেও senior হওয়ার সুযোগ থাকবে না। তাই শিক্ষকের পূর্বে ছাত্রের সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ থাকবে না।
৩। কোন কলেজ শিক্ষককে যেন প্রভাষক পদে অবসর গ্রহণ করতে না হয় :
যেহেতু শিক্ষক নিয়োগ এবং অবসর একটি চলমান প্রক্রিয়া, সুতরাং seniority তালিকাও চলমান প্রক্রিয়া। senior অবসরে যাবে junior রা senior -এর ভিত্তিতে সহকারী অধ্যাপক হতে থাকবে। আমি Challenge দিয়ে বলতে পারি ৫০% প্রভাষকের পদোন্নতি ব্যবস্থা চালু হওয়ার সাথে সাথে যাদের এমপিওর বয়স ১২ বছর পূর্ণ হয়েছে তারা সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন পাবেন পাবেন।
আর প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতি চালু থাকলে ৯০% প্রভাষকরা পদোন্নতি পেলেও ১০% প্রভাষক আজীবন প্রভাষকই থাকবে। তাই আমি প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক পদোন্নতির পরিবর্তে অধিদপ্তরাধিন বিষয় ভিত্তিক পদোন্নতি ব্যবস্থা চালুর দাবি জানাচ্ছি। এতে সরকারের অতিরিক্ত অর্থের কোন প্রয়োজন হবে না। এবং বৈষম্যও থাকবে না।
লেখক
প্রভাষক, সখিপুর রেসিডেন্সিয়াল মহিলা কলেজ
You must be logged in to post a comment.