স্টাফ রিপোর্টার।।
২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে শুভ উদ্ভোধন হবে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের। ১ম জুনিয়র স্কুল সাটিফিকেট(জেএসসি) পরীক্ষার দ্বারা যাত্রা শুরু করবে বোর্ডটি। ২০২০ সাল থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাও এই বোর্ডের অধীনে হবে। তবে এ বোর্ডের আওতাভুক্ত জেলা হলো ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ টি জেলা। জেলাগুলো হলো ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর। আগে এসব জেলা ঢাকা বোর্ডের আওতাভুক্ত ছিল। এ জেলাগুলো শিক্ষা সংগঠন, তত্ত্ববধান ও উন্নয়ন পরিচালনা কাজ করে আসছে ময়মনসিংহ বোর্ড।
নিজস্ব ভবন না থাকলেও ১৪ জন কর্মকর্তা নিয়ে প্রতিদিনের রুটিন ওয়ার্কের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান ও সচিব। প্রয়োজনের তুলনায় কম জনবল নিয়েই কাজ দ্রুত চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবু থেমে নেই বোর্ডের কার্যক্রম। নিয়ম-নীতি মেনেই স্কুল-কলেজের রেজিস্ট্রেশন, পরিদর্শন, নবায়ন, পাঠদান, স্বীকৃতি ও অনুমোদনের কাজ ঠিকই পরিচালিত হচ্ছে। তবে নতুন ভবন করার জন্যে ইতোমধ্যে ব্রক্ষপুত্র নদের ওপারে ৫ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছ। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে বোর্ডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা রয়েছে। এখন বোর্ডের কার্যক্রম চালানোর জন্যে আপাতত ময়মনসিংহ টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ভবনের ৫ থেকে ৬টি কক্ষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
৫ জন শিক্ষা কর্মকার্তাসহ ময়মনসিংহ বোর্ডের দায়িত্ব দেয়া হয় শহরের আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. গাজী হাসান কামালকে। ৫ জন শিক্ষা কর্মকার্তা নিয়েই তিনি কাজ করতে থাকেন পরে কর্মকর্তা বাড়িয়ে ১৪ তে নেয়া হয়। ১০ অক্টোবর বুধবার উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, উপস্কুল পরিদর্শকসহ ডেপুটেশনে আরও ৮ কর্মকর্তাকে সেখানে পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
১৩ অক্টোবর ২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ ঘোষণার পর থেকেই বোর্ডের কাজ শুরু হয়। ময়নমনসিংহ বোর্ডকে মাধ্যমিকের নবমতম বোর্ড হিসেবে ঘোষণা ও সবশিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ১১তম হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয়। ওই বছর ২৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। ওই দিনই আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. গাজী হাসান কামালকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ঢাকা বোর্ড থেকে আলাদা হলেও এখন তাদের সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ চালিয়ে নেয়া হচ্ছে।অন্যান্য এই বোর্ড পুরো কার্যক্রম চালাতে হলে সর্বমোট প্রায় ১৭৫ জন জনশক্তির প্রয়োজন।
You must be logged in to post a comment.