শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় কবরস্থানের জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় আনোয়ার হোসেন ভুঁইয়া (৪২) নামে একজন নিহত হয়েছে।
এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছেন।১৬ সেপ্টম্বর বুধবার বিকালে নড়িয়া উপজেলার ভুমখাড়া ইউনিয়নের মানাখান গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে । নিহত আনোয়ার হোসেন ভুইয়া মানা খান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। আহত ব্যক্তিরা হলেন রুবেল ঢালী,জয়দুল ঢালী।
নড়িয়া থানা পুলিশ সুত্রে জানাযায়, নড়িয়া উপজেলার মানা খান গ্রামের কবরস্থানের জায়গা নিয়ে স্থানীয় জয়দুল ঢালী ও রুবেল ঢালীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। তার জের ধরে গত শুক্রবার জুমার নামাজের পরে রুবেল ঢালীর সাথে জয়দুল ঢালীর মধ্যে কথা কাটা কাটি হয়। এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে বুধবার বিকালে রুবেল ঢালী জয়দুল ঢালীর বাড়ীর সামনে দিয়ে কদমতলী বাজারে যাওয়ার পথে পুর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা জয়দুল ঢালী ও তার সহচর গণ রুবেল ঢালীকে পিটানো শুরু করে। এ সময় রুবেল ঢালীর সমন্ধী (স্ত্রীর বড় ভাই)।
আনোয়ার হোসেন ভুইয়া তাকে বাচাতে আসলে তাকে ও পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ার হোসেন ভুইয়ার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে । ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে জাজিরা মাওয়া পদ্মা সেতুর উপরে অ্যাম্বুলেন্স এর ভিতরেই সে মারা যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষুব্দ হয়ে জয়দুল ঢালীর বাড়ী ঘরে অগ্নিসংযোগ করে।
নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়র হোসেন বলেন , তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ভুমখাড়া ইউনিয়নের মানাখান এলাকায় লোহা কাঠ দিয়ে পিটিয়ে ২ জনকে মারাত্মক আহত করে। ঢাকা নেওয়ার পথে একজন মারা গেছেন। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্দ হয়ে ৫ টি বাড়ীতে আগুন দিয়ে জালিয়ে দিয়েছে ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
You must be logged in to post a comment.