৬২ ঘন্টার শ্বাসরুদ্ধ অভীযানের পর অবশেষে উদ্ধার হলো সোহেলের মরদেহ

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
শুক্রবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৮, ৭:২২ অপরাহ্ন

বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট।।
মঙ্গলবার কর্মরত অবস্তায় ট্রলারের পরথেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজের সোহেলের মরদেহ ৬২ ঘন্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ারসার্ভিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বলেশশ্বর নদীতে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া ইউনিয়নের জলাঘাট সাপলেজা এলাকা থেকে নিখোঁজ বনরক্ষী সোহেল রানার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে তারা। বনরক্ষী সোহেল রানার মরদেহ সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা দিকে নিয়মিত টহলের সময়ে ট্রলার থেকে পা পিছলে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরখোলা রেঞ্জের বগী ষ্টেশনে কর্মরত বনরক্ষী সোহেল রানা বলেশ্বরি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস, বনবিভাগ ও কোস্টগার্ড নিখোঁজ সোহেল রানার উদ্ধরে জোরেশোরে তল্লাশি চালিয়ে আসছিলো।
বনরক্ষী সোহেল রানা তালুকদার কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার মুহুরীপাড়া গ্রামের এম এ হামিদ তালুকদারের ছেলে। তিনি ২০০৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বনবিভাগে চাকরি পান। ২০১৬ সালের ৩ মার্চ বাগেরহাটের সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের বগী স্টেশনে যোগদান করেন।
বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক (ডিএডি) মো. মাসুদ সরদার প্রতিবেদকে বলেন শুক্রবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বলেশ্বরি নদের প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ভাইজোড়া ইউনিয়নের জলাঘাট সাপলেজা এলাকায় স্থানীয় জেলেরা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পরে জেলে ও স্থনিয়রা বনবিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। উদ্ধারকারীরা সেখানে গিয়ে তার সোহেলের মরদেহটি উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি সোহেল রানার বলে সনাক্ত করে বনবিভাগের কর্মীরা।
ঘটনার পর থেকে ৬২ ঘন্টধরে ফায়ার সার্ভিসের সাত সদস্যের ডুবুরি দল নিখোঁজ বনরক্ষী সোহেল রানার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। পরে কোস্টগার্ডও আমাদের সাথে তল্লাশি অভিযানে যোগ দেয়। শেষ খবর পাওয়া প্রর্যন্ত নিহত বনরক্ষী সোহেল রানার মরদেহ সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছে।
Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ