স্টাফ রিপোর্টার।।
বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন শিক্ষামন্ত্রী। মতবিনিময় সভায় শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা এবং দাবি দাওয়া শিক্ষামন্ত্রীর বরাবর তুলে ধরেন। কিন্তু উপস্থাপিত সমস্যা কিংবা দাবিদাওয়াগুলো বাস্তবায়ন কিভাবে হবে বা কত সময়ের মধ্যে হবে সে ব্যাপারে মন্ত্রীর কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।
সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক শেষ হয় দুপুর ১টায়। আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এ মতবিনিময় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণের জন্য থোক বরাদ্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন করে এমপিও এবং সরকারিকরণ বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষক নেতারা আলোচনা করেন। সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হওয়া বৈঠকে একে একে শিক্ষক নেতাদের বক্তব্য শোনেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বিনিময় সভা শেষে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের নেতা ও অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য-সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী বলেন, সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা দেয়ার কার্যক্রম চলছে। এটির ফাইল বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে আরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করা হবে।
বাংলাদেশ মাদারাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ হারুন-অর-রশিদ বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ তে কর্মরত জেনারেল (নন অ্যারাবিক) শিক্ষকদের শতভাগ বঞ্চিত করা হয়েছে। এই নীতিমালায় কামিল/ফাজিল/আলিম/দাখিল মাদরাসা প্রশাসনিক (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহসুপার) পদে আরবি বিষয়সমূহে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা চেয়ে জেনারেল (নন অ্যারাবিক) শিক্ষকদের প্রশাসনিক পদ বঞ্চিত করা হয়েছে। সহকারী অধ্যাপক/ প্রভাষকদের বঞ্চিত করে দাখিল মাদরাসা সুপার ও সহ সুপারকে আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের সুযোগ রেখে বিতর্কিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। নীতিমালার এ বিষয়গুলো সংশোধনের জন্য শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে কিছু বলেননি।
সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ও মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের সচিব মো. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।
You must be logged in to post a comment.