সিলেটের জৈন্তাপুর লক্ষীপ্রসাদ গ্রাম ঘেষে যাওয়া বড়গাং নদী থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ।
জানা যায় ২৮ জানুযারি বৃহস্পতিবার বড়গাও নদীতে ভাসমান একটি ভ্যানেটি ব্যাগে লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনতা পুলিশকে খবর দেয় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশুটি লাশ উদ্ধার করে। আসল রহস্য খুজতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে ওই শিশুর জন্মদাতাকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৮ জানুয়ারি লাশ উদ্ধারের পর শিশুটির ময়না তদন্ত ও ডিএনএ টেষ্টের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এসময় ভ্যানেটি ব্যাগের ভিতরে টেইলারিং দোকানের একটি পুরনো ¯িøপ পাওয়া যায়। ওই ¯িøপ ধরে তদন্তে নামে পুলিশ।
তদন্তে ওই নবজাতকে জন্মদাতা সন্ধান পায় পুলিশ এবং তাকে হত্যার কারণ জানতে পারে। এরপর নবজাতকের জন্মদাতা গোলাপ মিয়াকে শুক্রবার (২৯ জাুয়ারি) সন্ধ্যায় জৈন্তাপুর নিজপাট ইউনিয়নের নয়াবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
জৈন্তাপুর থানা পুলিশ জানায়, বছর দুয়েক আগে সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার গোলাপ মিয়া (২২) জৈন্তাপুর উপজেলার রহিমাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে গোলাপ মিয়া স্ত্রী ও শালিকে নিয়ে নয়বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। এসময় শালির সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন গোলাপ। এক পর্যায়ে শালি গর্ভবতী হয়ে পড়েন।
২৫ জানুয়ারি গোলাপ মিয়া শালিকে গোপন জায়গায় নিয়ে বাচ্চা প্রসব করান। এর পর বাচ্চাটিকে হত্যা করে নারীদের ব্যবহৃত একটি ভ্যানেটি ব্যাগে ভরে বড়গাং নদীতে ভাসিয়ে দেয়। বুধবার পুলিশ ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করে।
গোলাম মিয়া শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে গোলাপ মিয়ার শাশুড়ি বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
You must be logged in to post a comment.