বক্তারা শিক্ষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৬২ সালে আইয়ুব খানের আমলে প্রণীত শিক্ষানীতিতে বৈষম্যের প্রতিবাদে ছাত্র সমাজের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন হয়েছিল। আজো এদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থায় বৈষম্য বিরাজমান। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের মাত্র ৩% সরকারি এবং বাকি ৯৭% বেসরকারি। বেসরকারি শিক্ষকরা জাতীয় পে স্কেলের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সরকার থেকে পেলেও অন্যান্য সুবিধাদির ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি আকাশ পাতাল তফাৎ। তাদের বাৎসরিক প্রবৃদ্ধি না থাকায় একই বেতনে সারাজীবন থাকতে হয়। সবাই বৈশাখী ভাতা পেলেও তাদের ভাগ্যে তা জোটেনা। তাছাড়া সম্প্রতি এমপিও নীতিমালায় কলেজের শিক্ষকদের তাদের পূর্বে প্রাপ্ত সুযোগ থেকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষকদের সকল বৈষম্যের একটাই সমাধান জাতীয়করণ। বক্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষা আন্দোলনের নেতা বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে এমপিওভূক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের জোর দাবি জানান। এছাড়া শিক্ষা দিবসকে জাতীয় স্বীকৃতি দানের জন্য ও সরকারকে অনুরোধ করেন।