বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
আজ মংলা পোর্ট পৌরসভার ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১লা ডিসেম্বর দেশের তৃতীয় শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে পৌরসভা আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। বাগেরহাট জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে অন্যতম পৌরসভা হিসেবে মংলা পোর্ট পৌরসভা বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে।
পৌরসভাটি অবস্থিত মংলা বন্দর নগরীর প্রাণ কেন্দ্রে। সম্প্রতি এটা একটা প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার মর্যাদা লাভ করেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। পৌরসভার পেছনের দিকে বয়ে গেছে মংলা নদী যেটা রামপাল উপজেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে খুলনা হতে প্রায় ৫৫ কি.মি. দূরত্বে সমুদ্র থেকে খুবই নিকটবর্তী (প্রায় ৫০.০০ কি:মি)।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সামুদ্রিক বন্দর মংলাকে কেন্দ্র করে পশুর নদীর কোল ঘেঁষে তৎকালীন চাঁদপাই ও বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন হতে ১৯.৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার সমন্বয়ে গড়ে ওঠে অপার সম্ভাবনাময় এই মংলা পোর্ট পৌরসভা। নানা উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডের কারণে সম্প্রতি বেশ পরিচিতি লাভ করেছে পৌরসভার কর্মরত লোকেরা। এর কারণে এ পৌরসভার গুরুত্বও অনেক। বিশেষ করে সুন্দরবন যা পৃথিবীর সর্ববৃহত ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
প্রকৃতির এই নিঃস্বর্গ ভান্ডার মংলা পোর্ট পৌরসভার কাছাকাছি হওয়ার কারণে বসন্ত ও শীত মৌসুমে অসংখ্য দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আগমনে এ অঞ্চলটি মুখরিত থাকে। এছাড়াও ভ্রমণ পিপাসুদের দর্শনীয়স্থান যেমন; হিরণপয়েন্ট, আকরাম পয়েন্ট, দুবলারচর, আলোর কোল, হারবাড়িয়া, করমজল, কটকা, কচিখালী, টাইগার পয়েন্ট, জয়মনিরঘোল এবং সুন্দরবনের অভ্যন্তরীণ অনেক প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য দেখার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে তথা বিভিন্ন দেশের পর্যটকগণ মংলা পোর্ট পৌরসভা হয়ে এ স্থান পরিদর্শন করেন।
এলিস হক/অন্যদৃষ্টি
You must be logged in to post a comment.