ওবায়দুর রহমান।।
বিক্ষুব্ধ মাগুরাবাসীর আয়োজনে আজ মঙ্গলবার সকালে পলিথিন ডাক্তার মাসুদুল হকের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে বিক্ষুব্ধু জনতা।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ১০টায় মাগুরা সরকারি কলেজের সামনে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে এ ঝাড়ু মিছিলটি করা হয়।এতে মাগুরার সর্বসাধারন মানুষের পাশাপাশি এতে অংশ নেয়,আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র(আসক)ফাউন্ডেশন,ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক মালিক কল্যাণ সমিতি,মাগুরাসহ সর্বস্তরের মানুষ।মিছিলটি সরকারি কলেজ থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে হয়ে চৌরঙ্গীর মোড়ে যেয়ে শেষ হয়।
এসময় মাগুরাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসকের কাছে ভূয়া ডাক্তার মাসুদুলের বিচার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চেয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।এসময় তারা মাসুদুলে বিচার চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান “ভূয়া ডাক্তারের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে,ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, মাসুদুলের ফাঁসি চাই”ইত্যাদি দিতে থাকে।এর আগে সরকারি কলেজের সমনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।
ভূয়া ডাক্তার মাসুদুলের অপচিকিৎসার শিকার হওয়া এলাকার ভুক্তভোগী অনেকে,তারা দ্রুত মাসুদুলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানিয়ে বলেন,আর যাতে আমাদের মত কোন মানুষ ঐ কসাইয়ের অপচিকিৎসার শিকার হতে না হয় এ জন্য তার ঐ জাহান ক্লিনিক সীলগালা করে তার সকল সম্পাদ বাজেয়াপ্ত করা হোক।জানাগেছে ডাক্তার মাসুদুল হক ২০০৫ সালে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জে একটি রোগীর অস্ত্রোপচার করার সময় তার একটি নাড়ি কেটে ফেলে পরে সেই ক্ষতস্থানে পলিথিল দিয়ে বেঁধে দেয়,পরে সেই রোগী ঢাকা মেডিকেল থেকে সেই পলিথিন অপসারণ করায়,সেই সূত্র ধরে স্থানীয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
পরে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে তার এই অপকর্মের জন্য তিনি মাগুরাকে বেছে নেয়,২০০৬ সালে ড্যাবের সদস্য পদ নেয় ও বিএমডিএস ঢাকায় চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধিত হয়,সেখানেও করে প্রতারণা তার প্রকৃত নাম শহিদুল হক মানবিক থেকে এইচএসসি পাশ আর সেখানে যে কাগজ দিয়ে তিনি নিবন্ধিত হয় সেটা ছিল তার মারা যাওয়া নিকট আত্তীয় মাসুদুলের বিজ্ঞান বিভাগের এইচএসসির সনদ।
গত ১৪ জুন এক টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার অপকর্মের কথা উঠে আসে যা মানুষের দৃষ্টি গোচর হয়।
You must be logged in to post a comment.