উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের যৌথ ব্যবস্থাপনায় ঐতিহ্যবাহি প্রাচিনতম আমশড়া হাটে গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগি ক্রয়-বিক্রয় শুরু হয়েছে। প্রায় কয়েক যুগ আগেও এই হাটটিতে রবিবার ও বুধবারে নিয়ামিত ভাবে পশু ক্রয়- বিক্রয় হতো।
কিন্তু কালের আবর্তনে হাটটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়। কিন্তু হাটটিতে সরকারিভাবে খাস জমির থাকায়, ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নের রূপকার জনপ্রিয় মুখ আলহাজ্ব মেজানূর রহমান তালুকদার রাসেলের উদ্যোগে ও রায়গঞ্জ উপজেলার সার্বিক সহযোগীতায় দীর্ঘ কয়েক যুগ পর প্রাচিনতমও ঐতিহ্যবাহি আমশড়া হাটটি আগের জল্যুসে আবারও স্বরূপে যৌবনে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। জমে ওঠেছে পশুর নতুন হাট।
আরও দেখুন : চেয়ারম্যানরাই হচ্ছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক
ঈদুল ফিতরের অার মাত্র ৪/৫ দিন বাকী এতেই ক্রেতা বিক্রায়তার পথচলনায় ভারী হয়ে উঠেছে হাট প্রাঙ্গণ। গরু ছাগল উঠেছে অনেক ক্রয় বিক্রিও হচ্ছে জমজমাট। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকট কম থাকায় ঈদুল ফিতরের হাট জমজমাট হয়ে উঠেছে।
গরুর হাট/ছবি: ফারুক আহমেদ গত বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৩নং ধুবিল ইউপি ২নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহি প্রাচিনতম নতুন গরু-ছাগলের হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমশড়া প্রাচিনতম হাটে ইজারাদারা গরু ছাগল ও হাঁস মরগির হাসিল আদায় করছেন অতি কম গরু ১০০ টাকা, ছাগল ২৫ টাকা হারে।
ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে আমশড়া বাজার গরু-ছাগলের হাটে। গেট দিয়ে ঢুকতেই দেখা যায় লেম পোস্টে মই দিয়ে লাগানো হচ্ছে মাইক আর হ্যালোজেন লাইট। এর থেকে একটু এগিয়ে দেখা যায় ডেকোরেটরের লোকজন মাটি খুঁড়ে গরু বাঁধার খুঁটি বসাচ্ছেন। এই হাটে এসেছে প্রায় ১শ গরু। ক্রেতাও ছিল অনেক। আশপাশের লোকজন ও কিশোরদের গরু হাটে ঘুরতে দেখা যায়।
পশুর হাটের ব্যাপারী নূরউদ্দিন ও জিল্লার বলেন, ২০ দিন আগে গ্যাসের হাট থেকে চারটা গরু নিয়ে এখানে আসছি। আমার এই চারটি গরুতে খরচ হয়েছে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা। লাল গরুটার দাম উঠছে ৯৫ হাজার টাকা। আর সাদা গরুর দাম চাই এক লাখ টাকা। এখন বাজার দরের অপেক্ষায় আছি। যে দাম আসবে সেই দামে বিক্রি করবো। লাভ-ক্ষতি যাই হোক বিক্রি করে বাড়ি যাবো।
গরু-ছাগলের হাটের আরও এক ব্যাপারী মো. খালেক বলেন, সকালে গরু নিয়ে হাটে আসছি। এবার পাবনার ফরিদপুর থেকে ১৯টি গরু আনছি। এখানকার ব্যাংক সিষ্টম থেকে থাকা খাওয়া দাওয়াসহ কর্তিপক্ষের সকল ব্যবস্থাপনায় আমরা খুবখুশি।
৩নং ধুবিল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিজানূর রহমান তালুকদার রাসেলের সাথে হাটি সম্পর্কে সার্বিক বিয়ষ মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন, সাপ্তাহে প্রতি বুধবার আমশড়া ঐতিহ্যবাহি প্রাচিন হাটি অস্তিত্ব বিপন্ন জরাজির্ণ হয়ে পড়ে থাকা দীর্ঘদিন পর আবারও স্বরূপে প্রাণ ফিরে যৌবনে আসায় আমি অত্যন্ত খুশি।
You must be logged in to post a comment.