চুয়াডাঙ্গা সদরের বেগমপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার  কল্যাণ কেন্দ্র শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯, ৮:৪২ অপরাহ্ন
আফরিন আরা-কে ক্রেস্ট প্রদান করছেন জেলা প্রশাসক  গোপাল চন্দ্র দাস

সেলিম রেজা।।

বিশ্ব জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর দ্রুত বাস্তবায়ন প্রতিপাদ্য সামনে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায়  সারাদেশে ন্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। একই সাথে স্বাস্থ্য সেবায় অবদান রাখায় চুুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ইউনিয়ন স্বস্থ্য  ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র বেগমপুর শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার  দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিবার পরিকল্পনার আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের  সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় উপ- পরিচালক দীপক কুমার সাহার সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত  জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোন্দকার ফরহাদ আহম্মেদ।সভায় স্বাগত বক্তব্য ও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জেলার সার্বিক  পরিস্থিতি তুলে ধরেন পরিবার পরিকল্পনা কার্যালেয় মেডিকাল অফিসার ডাঃ শফিকুল ইসলাম। সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা  অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃবেলাল উদ্দীন।   উপজেলা পর্যায়ে এই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ  কেন্দ্রটি একাধিকবার ১ম স্থান অধিকার করায় ও নিরাপদ নরমাল ডেলিভারীতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় কেন্দ্র দায়িত্বরত স্বাস্থ্য  পরির্দশীকা মোছাঃআফরিন আরা এবং কেন্দ্রের ইনচার্জ -ডাঃ মোঃ আলমগীর কবির -কে ক্রেস্ট   প্রদান করা হয়।

এই বিষয়ে  কেন্দ্রর দায়িত্বরত স্বাস্থ্য পরির্দশীকা মোছাঃ আফরিন আরা বলেন, স্বাস্থ্য  ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি আমি ২৪ ঘন্টা গর্বতী মা ও নরমাল ডেলিভারী করে থাকি। এছাড়া ০-৫ বছর শিশু, কিশোর- কিশোরী,পরিবার পরিকল্পনা, সাধারন রুগি ও গর্বতী মায়েদের সেবা দেওয়া হয়। আমি  এখন সবচেয়ে  বেশি যেটা করি সেটা নরমাল ডেলিভারী এটা যেনো মনে হয় আমার উপরে গুরুদায়িত্ব পড়েছে,এখান থেকে আমি বের হতে পারি না।রাত- দিন ২৪ ঘন্টায়  গর্বতী মা ও নরমাল ডেলিভারী করাতে আমার খুব ভালোলাগে।আমি চেষ্টা করি আন্তরিকতার সাথে তাদের সেবা দিতে পারি।

বিগত ৫ বছর ধরে প্রতিমাসে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ টি করে নরমাল ডেলিভারী করানো হয়ে থাকে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিদর্শীকা মোছাঃ আফরিন আরা।

এছাড়া পরপর ৬ বার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ১ম স্থান অধিকার অর্জনের গৌরব অর্জন করি।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ