মিজানুর রহমান ভূট্টো। লালন সংগীতের পথে হেঁটেছেন বহুদূর। শুধু তাই নয়, সংগীতের অনেক পথিকের শিক্ষাগুরুও তিনি আজ। তার শিষ্যদের মধ্যে কেউ কেউ এ দেশের সংগীতাঙ্গনের উজ্জ্বল তারকা।
একজন লালন শিল্পী ও সংগীত ওস্তাদ মিজানুর রহমান ওরফে ভূট্টো। পিতার নাম গাজিবুর রহমান। বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুণ্ডি পূর্বপাড়া গ্রামে। বাউণ্ডুলে স্বভাবের মানুষটি ভীষণ পরোপকারী।
পিতা গাজিবুর রহমান ছিলেন এলাকার জনপ্রিয় পল্লীগীতি শিল্পী। ভূট্টোর বয়স যখন ১২ বছর তখন বাবার উত্সাহে খলিশাকুণ্ডির ওস্তাদ আক্কাস আলীর কাছে গান শেখা শুরু করেন। পরে জীবন জীবিকার প্রয়োজনে ব্যবসা করতে যান পার্শ্ববর্তী নাটোর জেলায়। সেখানে ব্যবসার পাশাপাশি নাটোরের ওস্তাদ তুহিনের কাছে গানের তালিম নেন। জন্ম কুষ্টিয়া জেলায় হলেও মূলত নাটোর জেলাতেই ভূট্টোর শিল্পী সত্তার বিকাশ ঘটে।
বাউল সাধক ফকির লালন শাহ ভূট্টোর অন্যতম প্রিয় মানুষ। যার কারণে লালনের গান তার কাছে ধ্যান, জ্ঞান ও স্বপ্ন। প্রকৃতার্থে লালন সাঁইজির রেখে যাওয়া গানের বাণীর মর্মার্থর ভিতর দিয়ে খুঁজে ফেরার চেষ্টা করছেন তিনি।
লালন সংগীত চর্চার পাশাপাশি ২০০৮ সালে ঢাকার আদাবরের মনসুরাবাদে সাবেক সচিব লালন ভক্ত নূরুল ইসলাম অনু প্রতিষ্ঠিত ‘রুপরেখা’ লালন একাডেমী নামের সংগত শেখার প্রতিষ্ঠানে ভূট্টো প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এ ছাড়াও ২০০৫ সালের ক্লোজআপ ওয়ান তারকা বিউটিকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন এই ভূট্টো। তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল তবলা বাদক কুষ্টিয়া
মিরপুরের সুমন কুমার ব্যাধ (সিলেট বেতারের তবলা বাদক) ও ক্ষুদে গানরাজ ঐশির সংগত ওস্তাদ এই মিজানুর রহমান ভূট্টো।
লেখক : সাংবাদিক
You must be logged in to post a comment.