প্রিয় মারফত আলী কে নিয়ে আর একটি স্মৃতি চারন।” তখন প্রধান মন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান, আমলা কলেজের এইচ এসসি র পরীক্ষাত্রী ও তাদের অভিভাবক গন মারফত আলী কে চাপ সৃষ্টি করলো ছেলেদের জন্য আমলা কলেজেই কেন্দ্র আনতে হবে।
মারফত আলী শুনলেন প্রধানমন্রী শাহ আজিজ আছেন কৈ পালে (দৌলতপুর কুষ্টিয়া) ওয়াপদার জীপ নিয়ে গেলেন প্রধান মন্রীর কাছে যেয়ে যশোর বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি হাত চিঠি নিয়ে প্রিন্সিপালকে দিয়ে যশোর বোর্ডে পাঠালেন। হাতে সময় সাতদিন চেয়ারম্যান বললেন কেন্দ্র এত সহজ ফিরে এলেন অধ্যক্ষ, মারফত আলী ক্ষুব্ধ হলেন।
শাহ আজিজ তখন একই সাথে শিক্ষা মন্রী ও। মারফত আলী রাতারাতি জীপ চালিয়ে ঢাকায় প্রধানমন্রীর বাসায় সকাল ন টায় শাহ আজিজ বের হচ্ছেন গাড়ী আটকিয়ে সামনে দাড়ালেন মারফত আলী, অনেক পুলিশ তেড়ে আসলো শাহ সাহেব নেমে আসলো গাড়ী থেকে বললো মারফত তোমার সাথে তো কালই দেখা হলো কাজ হয় নি।
মারফত আলী চিঠি টা ছুড়ে ফেলে বললো আপনি বাংলাদেশের ( বা—-র) প্রধানমন্রী বোর্ডের চেয়ারম্যান আপনার কথা শোনেনা। তখনি বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আমলা কলেজের এইচ এসসি কেন্দ্রের অনুমতি দিলো।
এলাকায় রব রব পড়ে গেলো। উল্লেখো মারফত আলী র সাথে শাহ আজিজুর রহমানের বিশেষ সম্পর্ক ছিল যা আর এক দিন বলবো।
You must be logged in to post a comment.