বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
মোংলা পূর্ব সুন্দরবন চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়া এলাকায় সোমবার দুপুরে র্যাব ৮ এর সাথে বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু আরিফ বাহিনীর প্রধান আলিমসহ ৪ দস্যু নিহত হয়েছে। র্যাব ৮ এর অধিনায়ক আতিকা ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা হলো মোংলা পৌর শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকার আ. আউয়ালের ছেলে আ. আলিম ওরফে আলিফ (২৫), আবজাল হাওলাদারের ছেলে রাজু (২২), আলতাফ গাজীর দুই ছেলে সোহেল (৩০) ও রুবেল (২৫)। র্যাব ৮ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ১ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সে বাগেরহাটের শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে সর্বশেষ ৬টি বনদস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত হবার ঘোষনা করেন। বিগত ২০১৬ সালের ৩১ মে বনদস্যু মাস্টার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে একে-একে সুন্দরবনের মোট ৩২ বাহিনীর ৩২৮ বনদস্যুর সকল সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। সাম্প্রতিক সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুদের তৎপরতা শুরু হবার খবরের ভিত্তিতে র্যাব রবিবার রাত থেকে সুন্দরবনে অভিযান শুরু করে।
দুপুরে র্যাবের একটি দল বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের জোংড়া খাল এলাকায় টহল শুরু করলে বনদস্যু আরিফ বাহিনীর সদস্যরা র্যাবকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। র্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়তে থাকে। এভাবে বেশ কিছু সময় বন্দুকযুদ্ধ চলার পর বনদস্যুরা পিছু হটে বনের গভীরে পালিয়ে যায় । পরবর্তীতে র্যাব সেখানে তল্লাসী চালিয়ে ৪ বনদস্যুর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এসময় আশেপাশের মাছ ধরা জেলেরা নিহত ৪ বনদস্যুর পরিচয় নিশ্চিত করে। নিহতরা হলো, বাগেরহাটের মোংলা পৌর শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকার আ. আউয়ালের ছেলে আ. আলিম ওরফে আলিফ (২৫), আবজাল হাওলাদারের ছেলে রাজু (২২), আলতাফ গাজীর দুই ছেলে সোহেল (৩০) ও রুবেল (২৫)। তবে, সন্ধ্যায় এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই অভিযানে কতোটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে এখনো জানা যায়নি।
You must be logged in to post a comment.