বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ফলাঘড় গ্রামের বাসিন্দা, ছিদ্দিক জমাদ্দারের পুত্র মাহবুব জমাদ্দারের সাথে, নলছিটি উপজেলার ৮নংসিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া গ্রামের,মৃতঃশাহআলম হাওলাদারের বড় মেয়ে সাথী আক্তারের পারিবারিক ভাবে ইসলামিক শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়,জানা গেছে আনুমানিক ৮ বছর আগে, সাথী ও মাহবুব দম্পতির ৬ বছরের শিশু সন্তান রয়েছে যাঁর নাম জুনায়েদ।
মাহবুব ও সাথী বেগমের বিবাহের পর থেকেই চলে আসে সাথী বেগমের জীবনে সৈরাচাড়ি অধ্যায় শশুর ছিদ্দিক জোম্মাদার,শাশুড়ী মাহামুদা বেগম, ননদ শিল্পী বেগম ও শিল্পীর স্বামী মেহেদী হাসান শামিম, মিলে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময় মারধর করতো সাথী বেগমের উপরে।
সাথী বেগমকে তাদের বাড়ি থেকে তাড়াইয়া দেওয়ার জন্য অন্যায় অত্যাচার করে, নাটক সৃষ্টি করিয়া ষড়যন্ত্র করিয়া সকল অপরাধী সাথী বেগমের জীবন সংসার অতিস্ঠ করে। পূর্বে সকল অপরাধী সাথী বেগমের স্বামীকে সেচ্ছায় ডিভোর্স দিতে অথবা আত্মহত্যা করতে বলে। অন্যথায় এলাকার খারাপ লোকদ্বারা মান-সন্মান নষ্ট করিবে বলে হুমকি দেয়।
সাথীকে শশুর বাড়ির দেয়া লোকের অপমান অপদস্ত করায় রাগে ঘৃনায় গত ২০/৮/২০২০ইং তারিখ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকার সময় রান্না ঘরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরে আছে দেখে সাথী বেগমের স্বামী। সাথীর স্বামী বাকেরগঞ্জ উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে সাথীকে,তারিসাথে সাথীর পরিবারকে খবর দেয়,খবর শুনে সাথীর মাও ছুটে আসেন সাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
সাথীর মা জানতে চান আমার মেয়ের কি হয়েছে? বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের কর্তবরত ডাক্তার সাথী কিটনাশোক খেয়েছে না খাইয়েছে বলাযায়না এছাড়াও তার স্বাস্থ্যর অবস্থা খুব খারাপ রুগী নিয়ে তারাতাড়ি আপনারা বরিশাল শেরেই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।
জরুরি বিভাগের কর্তবরত ডাক্তার বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে প্রেরন করেন, ঐসময় সাথে সাথীর স্বামী ও মা ছিলেন, বরিশাল নেয়ার পর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার সাথী বেগমকে মৃত্যু হয়েছে বলে আনুমানিক ৩ ঘটিকায় তার পরিবারকে জানান।
সাথী বেগমের বাবার বাড়িতে ও সাথীর স্বামীর বাড়ির আসেপাশের লোকজনের নিকট হইতে আর সাথীর বোন বিথী বেগম ও তার ৬ বছরের ছেলের নিকট হইতে যানাযায় তার মাকে তারি দাদু ছিদ্দিক জমাদ্দার,ও দাদি মাহমুদা বেগম মেরছে বলে জানায় সাথীর শিশু পুত্র জুনায়েদ।সাথীর মৃত্যুর পরে বরিশাল শেরেই-বাংলা মেডিকেলে চলে লাশের পোস্টমর্টেম নিয়ে ব্যবসা, যাতে পোস্টমর্টেম না হয়।
একপর্যায়ে লাশ পোস্টমর্টেম ছাড়াই নিয়ে আসতে চায় সাথীর ননদের স্বামী মেহেদী হাসান শামিম ও সাথীর ছোট খালা রেবা বেগম মিলে, পরে সাথীর বোন বিথী বেগম গিয়ে বাঁধা দেয় যে আমার বোনের লাশ পোস্টমর্টেম ছাড়া নিবোনা আর আমি আমার বোনের মৃত্যু কি ভাবে হয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তা যানতে পারবো কারন সে আত্নহত্যা করেছে না মেরে ফেলেছে আর আপনার এভাবে বলছেন কেনো এরভিতরে কি রহস্য আছে,বিথী মেহেদী হাসান শামিম ও সাথীর ছোট খালা রেবার কাছে জানতে চায় বিথী বেগম।
তারা কোনো উত্তর দিতে পারেনি ২১/৮/২০২০ ইং তারিখ বিথী বেগম বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানা ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন আমার বোন আত্মহত্যা করেছে না তাকে হত্যা করা হয়েছে, আমি প্রশাসনের নিকট সুস্ঠ তদন্তর সহোযোগীতা ও উর্ধতন কর্মকর্তাদের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
You must be logged in to post a comment.