নাসরিন পাঠান।।
খোলা চোখে যেমন সব তারা দেখা যায় না
তেমনি সব খবরই পত্রিকায় আসে না।
.
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, কাঁচামরিচ,পেয়াজ,রসুন, শাকশুঁটকি এবং মাছ সবজির দাম বাড়ার সাথে-সাথে,
বাসার কাজে সাহায্য করেন যে খালা তারও কাজপ্রতি বেড়েছে একশো টাকা।
মানে ঘরমোছায় একশো, থালাবাসন ধোয়ায় একশো, কাপড় ধোয়ায় একশো,এবং কুটাবাছায় একশো।
পরশুদিন সকালে খালা এসে বললো খালাম্মা একটা কথা কইতাম
–বলো
–আমার প্রতিটা কাজে একশো টাকা বাড়ায়ে দেওন লাগবো।
–কেন?
–ওমা বাজারে সবকিছুর দাম বাড়ছে, এখন আমরার কাজের বেতন না পারলে পোলাপান নিয়া কি খামু!?
ভাবলাম কথাতো সত্য, তাই বাধ্য হয়ে প্রতিকাজে টাকা বাড়াতে হলো।
মানে এখন এককাজে ছয়শো হতে সাতশো হলো।
সবার বাসায় একই অবস্থা।
এই নিউজটা টিভিনিউজে বা পত্রিকাওয়ালারা পত্রিকায় ছাপায় না কেন?
আমি মনে করি এই নিউজটাও পত্রিকায় বা টিভিনিউজে আসা উচিত!
বিঃদ্রঃ:–আমি কাজের লোকের বেতন বাড়ার বিপক্ষে নই, আমার বলার উদ্দেশ্য হলো দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি হলে যানবাহনের ভাড়া সহ শ্রমের মূল্যও বৃদ্ধি পায়।
তা কিন্তু নিউজে আসে না।
কবি নাসরিন পাঠানের ফেসবুক ওয়াল থেকে।
You must be logged in to post a comment.