শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত টরন্টো স্টেডিয়ামে ছিল টানটান উত্তেজনা। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে গনসালো রামোসের গোলে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। এরপর আরও নাটকীয়তা যোগ হয়, যখন অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে ক্রোয়েশিয়া সমতাসূচক গোল পেলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে পর্তুগাল।
ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইভান পেরিসিচের গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। দ্রুত নেওয়া এক থ্রো-ইন থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে ইয়োসিপ স্তানিশিচের বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন অভিজ্ঞ এই উইঙ্গার।
পিছিয়ে পড়ার পর আক্রমণের গতি বাড়ায় পর্তুগাল। ৬০ মিনিটে একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওয়ের ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে জয়সূচক গোল করেন গনসালো রামোস।
তবে নাটকীয়তার শেষ তখনও বাকি ছিল। যোগ করা সময় ১০ মিনিট পেরিয়ে গেলে সমতাসূচক গোল পায় ক্রোয়েশিয়া। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন লুকা মদরিচরা। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইড ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়। ফলে শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল এবং নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট।
You must be logged in to post a comment.