আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে দেশের বাইরে থাকায় এ সময় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ত্যাগ-তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ ধারণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন সমগ্র জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র তাকে হত্যা করে। এর মধ্য দিয়ে তারা বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও অগ্রযাত্রাকে ক্ষুব্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়। ঘাতকচক্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি।
তথ্য মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, বিভাগ ও সংস্থা জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করবে। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মসজিদগুলোয় বাদ জোহর বিশেষ মুনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গতি রেখে তারা কর্মসূচি পালন করবে। দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করবে।
জাতীয় শোক দিবসে ১৫ আগস্ট শাহাদত বরণকারি সকলের আত্নার মাগফেরাত কামনা করি। কালে কালে বঙ্গবন্ধু আসুক বার বার এই প্রত্যাশা আমাদের। শোক হোক শক্তি, জাগ্রত হোক দেশ ভক্তি।
You must be logged in to post a comment.