মো. মতিউর রহমান দুলাল।।
বৃটিশরা বাংলাদেশের মানুষকে শিক্ষা দিত ধনিদের। তাদের ধারনা ছিল, ধনিরা শিক্ষিত হলে মধ্যম ও গরীবরা এমনি এমনিই শিক্ষিত হবে। আর পাকিস্থানিরা বাংলাদেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতো তাদেরই স্নেহ ভাজন ব্যক্তি দ্বারা।
আর স্বাধীনতা যুদ্ধে সেই ধনীদেরই বেশীর ভাগ মানুষ বিরুধিতা করে। কারণ এক গবেষণায় দেখা যায় যারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির অধিকাংশই ধনী এবং শিক্ষিত। বর্তমানে সেই ধারাই বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় বহমান। ধনিক শ্রেণির সন্তানরা হয়তো বিদেশে এবং দেশে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধায় স্বল্প খরচে পড়া লেখা করে। আর মধ্যম ও গরীব পরিবারের সন্তানরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশি টাকা খরচ করে অবহেলায় বড় হচ্ছে।
যে প্রতিষ্ঠান গুলোর সিংহ ভাগ পরিচালিত হচ্ছে সমাজের শিক্ষিত ভদ্র ও প্রভাব শালী ব্যক্তি দ্বারা। যাদের উপরে কারোর কোন কথা বলার রাইট নাই। তাদের ক্ষমতার কাছে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবক সকলেই জিম্মি। ফলশ্রুতিতে, খরচ চালাতে না পারায় ঝরে পড়ছে প্রতি বছর হাজার হাজার ছাত্র ছাত্রী। বাড়ছে অপকর্ম ও বাল্য বিবাহ। বৃটিশ থেকে এখন পর্যন্ত একই ধারায় বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে। এ ধারায় চলতে থাকলে জাতি অতি দ্রুতই মেধাহীন ও অকর্ম জাতিতে পরিণত হবে। এর উত্তরণের পথ একটাই। বেসরকারি সকল শিক্ষা ব্যবস্থা “জাতীয়করণ”। আর সে জন্য সকলকে এক পতাতলে আসতে হবে।
লেখক
কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম।
You must be logged in to post a comment.