গত ১৬ ই জানুয়ারী শরীয়তপুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় আমি পান্না খান উক্ত নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ওয়ার্ড নং ৩(সাধারণ ওয়ার্ড ৭, ৮ ও ৯) থেকে চশমা প্রতীক নিয়ে মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করি।
উক্ত নির্বাচনে ইমু আক্তারের সন্ত্রাসী বাহীনি প্রশাসনের উপস্থিতিতে আমার পোলিং এজেন্টদেরকে মারধর করে ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। এর পরেও জেলা রির্টানিং অফিসার তার ভোট গননার শেষে আমাকে ২৬৭৪ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করেন এবং আমার নিকটতম প্রতিদন্ধী ইমু আক্তার জবা ফুল প্রতীকে ১৭৯৩ ভোট পেয়েছেন বলে ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইমু আক্তারকে বিজয়ী ঘোষনা করেন। আমি নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট ফলাফল শীট চাইলে তিনি কোন অবস্থাতেই আামাকে ফলাফল শীট দেন নাই, যার ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
আমি আমার বিজয় ফিরে পেতে চাই সাংবাদিকরা জতির বিবেক ও কলম সৈনিক গণতন্ত্র সু-সংগঠিত করার লক্ষে ভোট ও ফলাফল চুরি ঠেকাতে আপনাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আমার বাবা একজন আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন এবং আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। গণতন্ত্রের মানস কন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার দাবী বিএনপি পরিবারের সন্তান আপপদমস্তক বিএনপি ইমু আক্তারকে এই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে কারচুপির মাধ্যমে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে যা মেনে নেয়া যায় না।
আমার দাবি এই নির্বাচনী ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোট গননার মধ্য দিয়ে আমাকে বিজয়ী কাউন্সিলর হিসেবে ঘোষণা করা হোক। এই লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কাউন্সিলর প্রার্থী পান্না খান। এ সময় শরীয়তপুরে সকল গনমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
You must be logged in to post a comment.