শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের পাঁচ টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার ও উদয়তাঁরা, মালত কান্দী গ্রামের দুই টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের চিকৎসক ও রোগীদের যোগাযোগের একমাত্র ব্যবস্থা বাঁশের সাঁকো।
ভোগান্তিতে পাচঁটি গ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রায় দশ হাজার সাধারণ মানুষ। মাঝেমধ্যে ঘটে যায় র্দুঘটনা। বিষয় টি নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, এমনটাই বলেছেন স্থানীয় ভোক্তভুগীরা।
সম্প্রতি কালে সরজমিন ঘুরে মালত কান্দী,নলী কান্দী, হাওলাদার কান্দী,ঢালী কান্দী ও উদয়তাঁরা গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, প্রায় চার বছর পূর্বে বর্ষা মৌসুমে পানির তীব্র ¯্রােতে নির্মানাধীন ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে এই যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘœ ঘটে।
উদয়তারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, মাঝে মধ্যে আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাঁকো থেকে পরে গিয়ে বই পুস্তক ভিজে যায় আমরা ভয়েসংস্কিত বড় ধরণের র্দুঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে আমাদের দাবি এই এলাকার বসবাসরত মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা চিন্তা করে অনতিবিলম্বে একটি ব্রীজ নির্মাণ হোক।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, নড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাহাবউদ্দিন খান এর সাথে মুঠো ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোনটি রিসিভ করেন নি এবং নড়িয়া উপজেলা কার্যলয়ে গিয়ে, তাকে পাওয়া যায়নি।
You must be logged in to post a comment.