শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ভোজেশ্বরের গরুর হাট ও খেলার মাঠ স্থানীয় প্রভাবশালী কাঠ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ জোর পূর্বক ভাবে দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভোজেশ্বরের গরুর হাট জপসা ইউনিয়নের অন্তর্গত হলেও শত বছরের এই ঐতিহ্যবাহী গরুর হাট ভোজেশ্বর গরুর হাট নামে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। এই গরুর হাট ও খেলার মাঠের উত্তর পাশে জপসা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও শহীদ ইয়ার উদ্দিন বয়াতী স্মৃতি পাঠাগার নামে একটি পাঠাগার রয়েছে। মাঠের পশ্চিম পাশে রয়েছে ভোজেশ্বর জপসা চাহেদ আলী নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা। যেই মাদ্রাসায় বর্তমানে শতাধিক শিশু-কিশোর ছেলে-মেয়েরা পড়াশুনা করছেন। শুধু তাই না ভোজেশ্বর বন্দরের আশপাশে ঘনবসতি বাড়ী-ঘর রয়েছে।

ঐ সমস্থ বাড়ী-ঘর গুলোতে রয়েছে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিশু-কিশোর, বালক-বালিকা যারা ইতিপূর্বে এই মাঠে খেলাধুলা ও বিনোদনের সময় পার করতেন। গত ১২ এপ্রিল শুক্রবার সরেজমিন ঘুরে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সাথে আলাপকালে তারা বলেন, আমাদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী গরুর হাট এবং ভোজেশ্বর বন্দরের সৌন্দর্য্য শিশু কিশোরদের খেলার মাঠ স্থানীয় প্রভাবশালী করাত কল মালিক ও তাদের সহযোগী কাঠ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবৎ দখল করে রেখেছে। ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, ভোজেশ্বর গরুর হাট ও খেলার মাঠ সরকারী সম্পত্তি তাই স্থানীয় প্রশাসন মহলের কাছে আমাদের জোর দাবী তারা যেন এই প্রভাবশালী কাঠ ব্যবসায়ীদের হাত থেকে গরুর হাট এবং খেলার মাঠ রক্ষা করার জন্য জোরালো ভূমিকা পালন করেন।
জপসা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শওকত হোসেন বয়াতীর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন ইতিপূর্বে আমি চেষ্টা করেছিলাম আমাদের গরুর হাট এবং খেলার মাঠ কাঠ ব্যবসায়ীদের হাত থেকে দখল মুক্ত করার জন্য কিন্তু রাজনৈতিক কোলহলের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন আমি নড়িয়া উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। ভোজেশ্বরের গরুর হাট ও খেলার মাঠ সম্পর্কে আমি অবগত নই। ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে হবে।
You must be logged in to post a comment.