শরীয়তপুর সদর উপজেলার মাহামুদপুর ইউনিয়ের সিপাহী পাড়া গ্রামে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মোঃ রাকিব হাসান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্র’কে কুপিয়ে জখম করেছে স্থানীয় মাদকসেবী সন্ত্রাসীরা।
কলেজ ছাত্র রাকিব হাসানের পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকাল সারে চার টার দিকে কলেজ ছাত্র রাকিব হাসানের বাড়ী সংলগ্ন মাহামুদপুর ও চন্দ্রপুর সড়কের একটি ব্রীজের নিচে বসে, মাহামুদপুর খাঁ পাড়া গ্রামের চুন্নু খানের ছেলে রিফাত খান (২০) এবং কাদির খানের ছেলে ওয়াসিম খান(২২) মাদক সেবন করতে থাকলে, কলেজ ছাত্র রাকিব হাসান মাদক সেবনকারীদেরকে মাদক সেবনে বাধা দিলে, মাদকসেবীরা কলেজ ছাত্রের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে রাত সোয়া সাতটার দিকে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সহ ৮-১০ জন মাদকসেবীদের’কে নিয়ে, রাকিব হাসান’কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে, শুধু তাই নয় হত্যা ও গুমের উদ্যেশ্যে অটোরিক্সা যোগে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। রাকিব হাসানের চিৎকার শুনে ইউপি সদস্য আছাল উদ্দিন সরদার সহ স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গরা ঘটনা স্থানে চলে আসলে কলেজ ছাত্র রাকিব হাসান’কে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে মাদকসেবী, সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। রাকিব হাসানের স্বজনরা রাকিব হাসান’কে ঘটনা স্থান থেকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে, কর্তব্যরত চিকিৎস্যক রাকিব হাসান’কে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রাকিব হাসানের চাচা আবুল কালাম মুন্সী বাদী হয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ঘটনার সাথে জড়িত ১১ ব্যক্তিকে বিবাদী করে পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। কলেজ ছাত্র রাকিব হাসানের চাচা আবুল কালাম মুন্সী গণমাধ্যমকে জানান, আমার ভাতিজা অত্যান্ত নম্র, ভদ্র মেধাবী, বিনোদপুর আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে আমার ভাতিজাকে যারা কুপিয়ে জখম করেছে, তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম উদ্দিন এর সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, থানায় মামলা রুজু হয়েছে, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
You must be logged in to post a comment.