নড়িয়া উপজেলার ১০৩ নং উত্তর ভূমখাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোঃ তাওহীদ ইসলাম ও তার পরিবারকে প্রাননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম এর বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা মুন্নি বেগম নড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এই বিষয়টি অসত্য বলে জানিয়েছন সহকারী শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম।
শিক্ষার্থী মা মুন্নি বেগম গনমাধ্যমকে বলেন গত ১৭ নভেম্বর রবিবার সকাল ১০টার দিকে আমার ছেলে তাওহিদ ইসলামকে নিয়ে বিদ্যালয়ে গেলে সহকারী শিক্ষিকা উম্মে-কুলসুম। আমার দশম শ্রেণীতে পড়––য়া মেয়েকে নিয়ে কু-রুচিপুন্ন কথা বলেন। আমি ওই কথার প্রতিবাদ করলে তিনি আমার উপরক্ষিপ্ত হয়ে তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে পিটায়। এক পর্যায় আমার সাথে ধস্তাধস্তি হয় আমি মাঁটিতে পরে গেলে আমার ডান পায়ের হাটুর নিচে কামড় দিয়ে আমাকে আহত করে এবং আমার ছেলে মেয়ে ও আমাকে প্রাননাশের হুমকি দেয় আমার ছেলে এখন ভয়ে স্কুলে যেতে চায়না। শিক্ষিকা উম্মে-কুলসুম যে কোন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আমার পরিবারে ক্ষতি করতে পারে আমি ও আমার পরিবার ভয়ে সংঙ্কিত ।
স্থানীয় সিরাজ ছৈয়াল এর স্ত্রী রোকেয়া বেগম,দিপু মাস্টার-সহ একাধিক ব্যক্তিরা জানান শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম এক জন পরনিন্দাকারী ব্যক্তি, মানুষের গীবত বলা তার প্রধান কাজ। ইতো পূর্বে তিনি যে সকল বিদ্যালয়ে চাকুরি করেছেন ওই সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবিভাবক। স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ-সহ বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সাথে অসদাচরণে লিপ্ত হয়েছেন। পূর্বের ন্যায় এই বিদ্যালয়ে এসে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মহিলাদের কাছে মানুষের গীবত ও পরনিন্দায় লিপ্ত হয়েছেন। এক জন স্কুল শিক্ষিকার এমন আচরণে এলাকায় নানা ঝগড়া বিবেদ শুরু হয়েছে।
এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম উদ্দিন মোল্যা বলেন মুন্নি বেগম ও স্কুল শিক্ষিকা তারা উভয়-উভয়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন দুটি অভিযোগের তদন্ত কাজ চলমান।
এ ব্যপারে নড়িয়া উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ্ মোঃ ইকবাল মুনসুর বলেন শিক্ষিকা উম্মে কুলসুম আমাকে জানিয়েছেন এক শিক্ষার্থীর মা স্কুলে এসে তাকে মারপিট করেছেন আমি তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলেছি। তবে শিক্ষার্থীর পরিবারের কেউ আমাকে কিছু জানায়নি। কিন্তু এক হাতে কখনো তালি বাজেনা।
You must be logged in to post a comment.