বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্বরণে জুলাই আগস্ট এর গণঅভ্যুথানের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্টান এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণ কারি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা সনদ প্রদান আনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন সখিপুর ডি এম খালী শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ।
সোমবার ৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রপ্ত অধ্যক্ষ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহন কারি আব্দুল হক এর সভাপতিত্বে কলেজ মাঠে¡ স্বরণ সভা ও সম্মাননা সনদ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথির আসন গ্রহন ও বক্তব্য রাখেন শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান ভুট্রু মজুমদার। বিশেষ অতিথি বিদ্যোৎসাহী এডহক কমিটির সদস্য মোঃ মনির হোসেন। স্বরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যক্ষ মহসিন উদ্দিন, বাংলাভিশনের বার্তা সম্পাদক বেনজীর আহমেদ, মাহামুদুল হক মজুমদার, সখিপুর থানা যুব-দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহ্সান মোল্যা, সখিপুর থানা ছাত্র-দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ গ্রহন কারি শিক্ষার্থী মাহিয়া পায়েল, বাতশাহ্ মিয়া, আখি ইসলাম, মুশফিকুল শাহিন, আরিফা মাদবর-সহ আরও অনেকেই।
উক্ত স্বরণ সভায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ কারি শিক্ষার্থীরা বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বুলেটের আঘাতে নিহত শহীদ সিরাজ সিকদারের স্বরণে তার ছোট ভাই ইঞ্জিনিয়ার নুরুল হক সিকদার ১৯৯৫ সালে সখিপুর ডি.এম খালীতে শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
২০২৪ সালে শহীদ সিরাজ সিকদারের আদর্শ বুকে ধারণ করে এই কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র –জনতার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরেছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় ডি এম খালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন হক আবু বেপারী ও স্বৈরাচারের দোসর অত্র কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পলাশ রাউথ আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্র লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের কলেজের শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে এবং পলাশ রাউথ স্বৈরাচারের দোসরদেরকে নিয়ে আমাদের কলেজের নাম ফলক থেকে শহীদ সিরাজ সিকদার নামের শহীদ অংশ কেটে দিয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে সাবেক অধ্যক্ষ পলাশ রাউথের বহিস্কার দাবি করছি। আমরা এই কলেজে কোন স্বৈরাচারের দোসরকে দেখতে চাইনা।
You must be logged in to post a comment.