রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥
বাগেরহাটের রামপালে জীবিত মাকে মৃত দেখিয়ে জমি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কুলাঙ্গার সন্তানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের সিদামখালী গ্রামের মৃতঃ শুকুমার হালদারের পুত্র তপন হালদার হুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদারকে ভুয়া তথ্য দিয়ে ১২৬/১৮ নং একটি ওয়ারেশ কায়েম সনদ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসীর তথ্যের ভিত্তিতে ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারেশ কায়েম সনদটি বাতিল ঘোষনা করেন।
এলাকাবাসী জানায়, হুড়কা ইউনিয়নের হুড়কা মৌজায় ৮৪১ খতিয়ান যা ডিপি ১০৭৫/১০৭৪, সাবেক দাগ নং-৫৫২ যা ডিপিতে ৬৬২ দাগে অর্ন্তভুক্ত হয়েছে। ওই দাগের ২১.৫০ শতক জমি সবিতা হালদার গত ইং ৩১/০৩/১৯৮৭ সালে কবলা মূলে বিক্রি করেন এবং স্বামীর সাথে বিরোধ সৃষ্টি হলে ভারত চলে যান। পরবর্তীতে ওই জমিতে একটি মন্দির নির্মান করা হয়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত তপন হালদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমা মা বাবার সাথে বিরোধ করে ভারত চলে যান। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তবে তার মায়ের মৃত্যুর বিশ্বাসযোগ্য কোন প্রমানাদী দেখাতে ব্যর্থ হন। এ বিষয়ে হড়কা ইউপি চেয়ারম্যান তপন কুমার গোলদার ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মঙ্গল কুমারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, তপন হালদার অসত্য তথ্য দিয়ে ওয়ারেশ কায়েম গ্রহণ করেছিল যা পরবর্তীতে ঘোষনা দিয়ে সঠিক তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ নেতা মানষ মন্ডল নামের এক যুবক সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। এলাকাবাসী ওই কুলাঙ্গার সন্তানের বিচার দাবি করেছেন।
You must be logged in to post a comment.