যশোরের নাভারণে এক তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ৩০ শে জুলাই রাতে নাভারণ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর-বাকী গ্রামে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, অভিযুক্ত ধর্ষক তরুনীর চাচাতো বোন। সে রঘুনাথপুর-বাকী গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলে।
এলাকবাসী বলছেন, ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ায় প্রভাবশালী মহলের মধ্যস্থতায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আরও জানান, ৩০শে জুলাই রাতে রঘুনাথপুর-বাকী গ্রামের মেহেদী হাসান নামে এক যুবক তার চাচাতো বোনের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। তরুণীর চিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে মেহেদী হাসানকে ধরে ফেলে। এ সময় অনেকে ঐ যুবককে মারপটিও করেন বলে জানাযায়। তবে সে এবং তার পরিবারের সদস্যরা আশ্বাস দেয় মেহেদী ঐ তরণীকে বিয়ে করবে। গ্রামের কয়েক ব্যক্তি এ ব্যাপারে মধ্যস্থতা করেন।
পিতৃহারা ঐ তরুণীর পরিবারের সদস্যরা এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। বিয়ের আশ্বাসে রাতেই মেহেদীকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে তারপর থেকে শুরু হয়েছে তালবাহানা। অভিযোগ উঠেছে, গ্রামের একটি কুচক্রিমহল নানা কৌশলে অভিযুক্ত মেহেদীর পরিবারের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এজন্য তারা তরুণীর পরিবারকেও নানাভাবে চাপ দিচ্ছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি শুনেছি। ধর্ষকের সঙ্গে তরুনীর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল ঘটনা ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ঝিকরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দীন আহমেদ জানান, এ ব্যাপারে এলাকা থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তবে কেউ লিখিত কোন অভিযোগ করেননি। বিষয়টি খোঁজ নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে যথযত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
You must be logged in to post a comment.