ষ্টাফ রিপোর্টার।।
ময়মনসিংহের ভালুকায় জঙ্গল থেকে হেনা আক্তার (৪০) নামে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে উপজেলার মেদুয়ারী গ্রামে বড় মেয়ে মিলি আক্তারের জামাই বাড়ির পাশে কুমাড়কাটা জঙ্গল থেকে মডেল থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেদুয়ারী গ্রামের রফিকুল ইসলাম রবির স্ত্রী তিন সন্তানের জননী হেনা আক্তার একই গ্রামের কুমাড়কাটা পাড়া মেয়ে জামাই সাদ্দামের বাড়িতে শনিবার দুপুরে বেড়াতে গিয়ে রাতে মেয়ের শ্বশুরী সমলা আক্তার (৬০) ও নাতি শ্রাবনীকে (৭) নিয়ে পাশের রুমে ঘুমাতে যান। রোববার ভোরে হেনা আক্তারকে ঘরে না পেয়ে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাকে খোজাখুজির এক পর্যায়ে বাড়ির পশ্চিম পাশের জঙ্গলে গলাকাটা অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। সকালে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। খবর পেয়ে ময়মানসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার হায়দর আলী, ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন, তদন্ত খোরশেদ আলমসহ ময়মানসিংহ ক্রাইমসিন ইউনিটের ক্রিমিনাল ইন্টারগেশন জোনের (সিআইডি) ইন্সপেক্টর আবু ইউসুফের নেতৃত্বে একটি দল ও ডিবি পুলিশ
নিহতের মেয়ে মিলি আক্তার জানান, তার মা শনিবার দুপুরে বেড়াতে এসে রাতে তার শ্বাশুরী ও শিশু মেয়ের সাথে ঘুমাতে গিয়ে রাতের কোন এক সময় দরজা খুলে ঘর থেকে বেড়িয়ে যান।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার সিরাজুল ইসলাম জানান, হেনা আক্তার আট মাস আগে স্বামী আব্দুল মতিনকে ডিভোর্স দিয়ে ননদের জামাই রফিকুল ইসলাম রবির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তারা বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছিলেন। শনিবার দুপুরে হেনা আক্তার তার মেয়ে জামাই বাড়ি বেড়াতে গিয়ে হত্যার শিকার হন।
ভালুকা মডেল থানার ওসি মাইনউদ্দিন জানান, উদ্ধারকৃত নারীর লাশটি গলাকাটা অবস্থায় একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যারহস্য উৎঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডি এ ব্যাপারে তদন্ত করছেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার সম্ভব হয়নি।
You must be logged in to post a comment.