বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাসতলী ইউনিয়ন (১২ জানুয়ারী) বিকালে গিলাতালা সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আ,লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এম,পি বলেছেন, আপনাদের সহ যোগীতা পেলে অগামী পাঁচ বছরে দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের শ্রেষ্ট জন পথ হবে এই রামপাল-মোংলা। প্রধানমন্ত্রী ধনী-দরিদ্রের বৈশম্য কমাতে এবং উন্নত-অনুন্নত এলাকার তফাৎ নিরশনের কথা ভেবে নিরলশ কাজ করে যাচ্ছেন। মোংলা বন্দর এক সময় ভালই চলত। ২০০১ সালে মোংলা বন্দরকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মৃত বন্দরের উন্নয়ন করেছে। বর্তমানে মোংলা বন্দরে প্রতিদিন জাহাজ আসছে। মোংলা বন্দর এখন একটি স্বয়ং সম্পূর্ন বন্দর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেষ্টায় বন্দর কেন্দ্রীক ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।
নিজেকে মন্ত্রী পরিষদে স্থান দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেন। সে ধারিবাকিতায় মোংলা ইপিজেডসহ দক্ষিনাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানাধীণ রয়েছে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে গেলে মোংলা-রামপাল, টুঙ্গি ও গাজীপুরের মত শিল্প অঞ্চলে পরিনত হবে। সে সুবিধা আপনারাই ভোগ করবেন। আমি শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করে যাবো।
সংবর্ধণা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বাসতলী ইউনিয়ন আ,লীগের সভাপতি আবু তালেবের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোল্যা আব্দুর রউফ, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আবু সাইদ, জেলা তাতী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল বাকি, মল্লিকের বেড় ইউপি চেয়ারম্যান ঝিলাম তালুকদার, বাশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ আলী, জামিল হোসেন জামু, আ,লীগ নেতা শিকদার মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
সংবর্ধনা সভায় রামপাল উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ গ্রহন করে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উচ্ছসিত স্লোগান ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন উপমন্ত্রী। এসময় মোংলা রামপালের সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান হাবিবুন নাহার। পরে দুস্থদের মাঝে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিতবস্ত্র বিতরন করে উপমন্ত্রী।
You must be logged in to post a comment.