শারমিন সাথী মোংলা।।
মোংলার পশ্চিম শেলাবুনিয়া জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা শ্যামল সরকারের একমাত্র মেয়ে বৈশাখী সরকার (২১) এর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে খালিশপুর থানা পুলিশ। পরে মৃতদেহটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপালে নেয়া হয়।
বুধবার বেলা ১২ টার দিকে ময়নাতদন্ত শেষে মেয়ের বাবার কাছে মৃত্যুদেহটি হস্তান্তর করে থানা পুলিশ। তবে এবিষয়ে খুলনা খালিশপুর থানার ওসির সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে খুলনা খালিশপুর একটি ভাড়ার বাসা থেকে গলায় ফাঁস অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বৈশাখী’র মরদেহ।
এবিষয় বৈশাখীর বাবা বলেন আমার মেয়ে সন্ধা ৭ টার দিকে আমাদের সাথে মোবাইলে কথা বলেছে হটাৎ রাত ৯ টার দিকে খুলনা থেকে একটা এক মেয়ে সহপাঠীর কল আসে,যাতে বল হয় বৈশাখী রুমের দরজা খুলছে না, সন্দেহ হলে সাথে সাথে বৈশাখীর পরিবারের সদস্যরা খুলনায় গিয়ে দেখে বৈশাখীর মৃতদেহ নিচে পড়ে আছে। এর আগে ভাড়াটিয়ার রুমের দরজা অনেক ধাক্কাধাক্কি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে স্থনীয় থানায় ফোন দিলে পুলিশ এসে মৃত্যুদেহ উদ্ধার করে।
তবে মেয়ের বাবা শ্যামল সরকার অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের ঘাড়ে ও হাতে আঘাতের দাগ রয়েছে আমার মেয়ে কোন না কোন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে । আমি এর সঠিক তদন্ত চাই প্রশাসনের কাছে। এদিকে স্থনিয়রা বলছে ভিন্ন কথা পচ্চিম শেলাবুনিয়া তার বাড়ির পাশে নাম প্রকাশে অনিচ্ছু কিছু প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মেয়েটি এর আগেও একাধিক বার অত্মহননের চেস্ট করেছে।
তবে এলাকাবাসীর সহায়তায় অনেক বার মেয়েটির মিশন সফল হয়নি। মেয়েটির চলাফেরায় পরিবারের সদস্যরাও থাকতো চিন্তিত। খামখেয়ালি ছিল তার চলাফেরা। পরিবারের সদস্যদের কথা তেমন শুনতো না। বৈশাখী সরকার খুলনা একটি কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল।
প্রতিবেশীরা জানান,খুলনার এক ভাড়া বাড়িতে জ্যাক নামের এক ছেলের সাথে স্বামী স্ত্রীর পরিচয় থাকত বৈশাখী । তবে এ কথা সম্পুর্ন মিথ্যা বলেন বৈশাখীর পরিবার। তবে খুলনার সোনাডাঙার বাসিন্দা জ্যাকের মা জানান বৈশাখি তার ছেলের বউ।অন্যদিকে জ্যাক এবং জ্যাকের মা ছাড়াও সন্দেহ জনক ৩ জনকে আটক করেছেন খালিশপুর থানা পুলিশ।
বৈশাখীর পরিবার বলছে তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সঠিক বলতে পারছি না যে আমাদের মেয়ের সাথে কাল রাতে কি হয়েছে।
You must be logged in to post a comment.