আনিচুর রহমান,মহম্মদপুর, মাগুরা।।
মাগুরা মহম্মদপুরের বালিদিয়া ইউনিয়নের, বালিদিয়া ও লক্ষিপুর গ্রামে একই রাতে পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
১৯ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার দিবাগত (২০ জুলাই, শুক্রবার) রাত তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। লক্ষিপুর গ্রামের পাখি মৃধার স্ত্রী আকলিমা বেগম (৫৫) জানান, ৮/১০ জনের ডাকাত দল বারান্দার গ্রীল ও তালা লাগানোর হুক ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে।
এ সময় ডাকাত সদস্যরা তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে হাত বেধে খাটের উপর বসিয়ে রাখে। আর অসুস্থ্য স্বামী পাখি মৃধাকে হাত পা বেধে বিছানায় কম্বলের নিচে ঢেকে রাখে। ঘরে থাকা তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১৫ হাজার টাকা ও ২টি মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। পাখি মৃধার একমাত্র ছেলে কুষ্টিয়া চাকুরি করেন। পরে বালিদিয়া শেখ পাড়ার মাষ্টার জালাল মৃধার (অবঃ) বাড়িতে প্রবেশ করে ডাকাত দল। প্রথমে ডাকাত দলের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দরাজায় আঘাত করলে, দরজায় লাগানো ডাসা ও হুক ভেঙ্গে যায়। ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই জালার মৃধা (৬৫) , স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫৮) ও একমাত্র ছেলের বউ লিজা (২৩) কে হাত পা বেধে খাটের উপর বসিয়ে রাখে। পরে আলমারীতে রাখা নগদ ৬০,০০০/- টাকা ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৩টি মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।
জাহানারা বেগম জানান, প্রথমে পাঁচজন ডাকাত ঘরে প্রবেশ করে। দেশীয় অস্ত্র রাম দা ও ছোরার ভয় দেখিয়ে আমাদেরকে জিম্মী করে ছেলের বউয়ের গহনা, মেয়ের গহনা, নগদ টাকা ও মোবাইল নিয়ে পালিয়েছে। বাহিরে কয়েকজন ডাকাত সদস্যরা দাড়িয়েছিল বলেও তিনি জানান। জালাল মৃধার একমাত্র ছেলে ঢাকায় চাকরি করেন ।
মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।