শরীয়তপুর সদর উপজেলা ডোমসার ইউনিয়নের কোয়ারপুর বালিয়ার পাড় মোল্যাকান্দি গ্রামে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে ভন্ড ফঁকিরের রুটি পড়া খেয়ে দশ ব্যক্তি অসুস্থ হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ দেলোয়ার মোল্যা, মোঃ কামাল মোল্যা,মোঃ আয়নাল বেপারী, মোঃ নাসির বেপারী ,মোঃ মনির মোল্যা, মোঃ শামচুল হক বেপারী, মোঃ বাবুল খান, মোঃ বাদশাহ্ মিয়া, মোঃ ফয়সাল খান, মোঃ সোহাগ দেওয়ান, সহ- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অনেকেই। অসুস্থ ব্যক্তিরা সবাই শরীয়তপুর নিউ পপুলার প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফিরেছে।
এই ঘটনায় মোল্যাকান্দি গ্রামের মৃতঃ আজাহার মোল্যার ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন মোল্যা, গত ৯ আগষ্ট মৃত- আশ্রাব আলী মোল্যার ছেলে মোঃ ওসমান মোল্যা ও তার পুত্রবধু সৌদি প্রবাসী মোঃ সোহেল মোল্যার স্ত্রী- সাবিনা বেগম কে বিবাদী করে পালং মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় এলাকা বাসী সূত্রে জানা যায় যে, গত ৯ আগষ্ট সোমবার সকাল ৮ টার দিকে ওসমান মোল্যা ও তার পুত্রবধূ সাবিনা বেগম চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করতে চোর সন্দেহে গ্রামের খেটে খাওয়া দিনমজুর ব্যক্তিদেরকে বাড়ীতে ডেকে এনে ডোমসার ইউনিয়নর পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার মজিবুর রহমান খাঁন এর উপস্থিতে ফরিদপুর থেকে আনা ইসরাফিল ফঁকিরের রুটি পড়া খাওয়ানো হয়।
ভূক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন মোল্লা গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরে গ্রামের প্রভাবশালী ওসমান মোল্লা, সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মজিবর রহমান খান, সাবেক মেম্বার দেলোয়ার খান, বর্তমান মেম্বার রফিকুল ইসলাম মুন্সী, আমির মোল্লা আমাদেরকে আপোষ মিমাংশার জন্য বিভিন্ন প্রকার চাপ প্রয়োগ করে আসছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর মধ্যে নানা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাবেক চেয়ারম্যন মাষ্টার মজিবুর রহমান খাঁন সহ প্রভাবশালী ব্যক্তিরা উঠে পরে লেগেছে।
You must be logged in to post a comment.