সরিষাবাড়ী (জামালপুর) সংবাদদাতা।।
সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী ফজলুল হক (ফজুল) হত্যা কান্ডের এক বছর পর ধর পাকড় শুরু হওয়ায় গ্রামে আতংক ছড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটি এখন জন শুন্যহীন হয়ে পড়েছে।
সরিষাবাড়ী থানা ও মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, ফুলদহ গ্রামের (নিহত) ফজলুল হক ও মামলার বিবাদী গাবতলী বাজারের মুদী ব্যবসায়ী এরশাদ গত বছর ১৮ ফেব্রুযারী সন্ধায় দুই বন্ধু ব্যবসার কাজে জামালপুর যাওয়ার কালে রাস্তায় সিএনজি দুর্ঘটনায় আহত হলে ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে ব্যবসায়ী ফজুল মারা যায়। রাতেই মৃত ফজলুল হকের লাশ বাড়ী এনে পরের দিন পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনার এক সপ্তাহ পরে নিহত ব্যবসায়ী ফজলুল হকের স্ত্রী বাদী হয়ে পেনাল কোর্টে একটি মামলা দায়ের করে, যারনং-৩০২/৩৪। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে ১২/১১/২০১৯ইং তারিখে চুড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে মামলার বাদী সন্তুষ্ট না হলে আবার ঐ মামলাটি সিআইডির কাছে তদন্ত চাইলে পিবিআই জামালপুর এর তদন্ত কাজে হাত বাড়ায়।
পিবিআই জামালপুরের কর্মকর্তারা মামলার তদন্ত স্বার্থে ফুলদহ গ্রামে গেলে গ্রামের অর্ধেক লোক আতংকে ঘরবাড়ী ছাড়ে। ইতিমধ্যে গ্রামের দুতিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকও করে।
এ ব্যাপারে পিবিআইু জামালপুরের আনচার্জ ফিরোজ হোসাইনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, মামলাটির ব্যাপারে আমি এখন পর্যন্ত অবগত নই। তাহলে জনমনে প্রশ্ন সাদা পোশাকধারী ওরা কারা। যারা গ্রামের দুতিন জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতারও করেছে।
এ রিপোর্ট লেখার ৩ ঘন্টা আগে ফুলদহ গাবতলী বাজারের জাকির হোসেন নামে এক ডাক্তারকে গ্রেফতার করলে সন্ধা থেকে ঐ গ্রাম পুরুষ শুন্য হয়ে পড়ে।
সরিষাবাড়ী থানার ওসি তদন্ত জোহায়েরুল হক জানান, মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন আমরা যা পেয়েছি তাই দাখিল করেছি। বাদী পক্ষ কখন কিভাবে আবার এটা নিয়ে অভিযোগ করে তা আমার জানা নেই।
You must be logged in to post a comment.