বাগেরহাটের ১২ খাল পূনঃখননে ক্ষতিগ্রস্তরা আজও পায়নি ক্ষতি পুরন

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট।। 

সরকারের ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নের উদ্দেশে  বিভিন্ন উপজেলায় ১২টি খাল পুনঃখনন চলছে। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিতে ৬৪ টি জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পে প্রথম পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব খাল খনন করছে।

এদিকে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন খাল খনন কাজে ক্ষতিগ্রস্ত সহস্রধিক পরিবার এখনো পাইনি কোন ক্ষতিপূরণ বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি সরকারি ভাবে অনুদানের।

ইতিমধ্যে  বাগেরহাট সদর উপজেলার পুটিমারী নদী ও ভূটিয়ামারী খাল, মোড়েলগঞ্জের হোগলাবুনিয়া ও বোলইবুনিয়া খাল, শরণখোলায় সোনাতলা ও রসুলপুর খাল, রামপালের বেতবুনিয়া খাল, মেংলার আরংএর খাল, চিতলমারীর খড়িয়া, মোল্লাহাটের মরা নালুয়া , কচুয়ার ভৈরব (মরা বলেশ্বর) এবং ফকিরহাটের জটার খাল। সরকারের এ ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নে ১২টি খালের মোট ৮২ কিলোমিটার পুনঃখনন করা হচ্ছে মোট ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে এসব খাল খনন শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্ধারিত ঠিকাদাররা। এসব খাল কাটা শেষ হলে, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি চলাচল সচলসহ পরিবেশের ব্যাপক উন্নতি সাধন হবে বলে মনে করছেন সংস্লিস্টরা।

এতে জোয়ারের পানিতে পলি পড়ে কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে। সদর উপজেলার হাড়িখালি গ্রামের জব্বার শেখ বলেন, এ খালটি অনেক বড় ছিল। চর পড়ে এবং খালের পানি চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করায় খালটি ছোট হয়ে গিয়েছিল। এখন খালটি কাটা হচ্ছে, এতে আমাদের উপকার হবে। তবে এসএ ম্যাপ অনুযায়ী খালের অবস্থান ঠিক না থাকা, খালের জায়গায় কাঁচা-পাকা বাড়ি-ঘর, গাছ-গাছালিসহ প্রভাবশালীদের অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত খাস জমি না থাকায় খাল কাটতে অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাল খননের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান বলেন, ১২ টি খালের মধ্যে ৮টি খাল পুনঃখনন শুরু হয়েছে। ঠিকাদাররা অনেক বেশি আন্তরিক এসব খালের কাজ করতে।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ