এম,এ সবুর রানা, রামপাল, বাগেরহাট॥
রামপাল উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও উজলকুড় ইউপি’র জনপ্রিয় সাবেক চেয়ারম্যান খাজা মঈন উদ্দিন আকতারকে নৃশংসভাবে বোমা মেরে হত্যাকান্ডের ঘটনায় করা মামলার এক আজিম নম্বর আসামী শেখ ওরফে এমএ আজিম বৃহস্পতিবার বাগেরহাট আদালতে আত্মসমার্পন করেছে।
শনিবার (১৩ জুলাই) তার রিমান্ড চেয়ে বাগেরহাটের বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালতে আবেদন করতে পারেন পুলিশ বুরে্যা অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) বাগেরহাট। আত্মসমার্পনকৃত আজিম কদমদী গ্রামের বারিক শেখের পুত্র। আজিমের বড় ভাই আঃ হাকিম নিষিদ্ধ ঘোষিত জনযুদ্ধের সক্রিয় কমান্ডার ছিল। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্দুক যুদ্ধে সে নিহত হয়। ওই ঘটনায় আকতার চেয়ারম্যান জড়িত থাকতে পারে বলে বরাবর আজিম অভিযোগ করে আসছে।
উল্লেখ্য গত ১৪ ফেব্রুয়ারী জনপ্রিয় বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান খাজা মঈন উদ্দিন আকতার কতিপয় দুর্বৃত্তের ছোড়া বোমার আঘাতে নৃশংসভাবে খুন হন। ওই ঘটনায় আকতারের শশুর সাহেব আলী আকুঞ্জি বাদী হয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারী রামপাল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখসহ ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত করে মামলা করেন।
ওই মামলার এজাহার নামীয় ৪ নম্বর আসামী ঝালবাড়ি গ্রামের বাবর আকুঞ্জির পুত্র শিবলু আকুঞ্জিকে ইতিমধ্যে বাগেরহাটের পিবিআই গ্রেফতার করেছেন। ওই মামলার অন্যতম আসামী কদমদী গ্রামের মৃত আশরাফ শেখের পুত্র আহাদ শেখ, শ্রীকলস গ্রামের আমিন উদ্দিন বেপারীর পুত্র বাকি বিল্লাহ বেপারী ও ঝালবাড়ি গ্রামের আমিন উদ্দিন কাজীর পুত্র বাবুল কাজীকে পিবিআই গত চার মাসেও গ্রেফতার করতে পারেনি।
এ বিষয়ে বাগেরহাটের পিবিআই এর অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হকের সাথে তার মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আজ রবিবার আত্মসমার্পনকৃত আসামী আজিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে রিমান্ড চাওয়া হবে। মামলার বাদী সাহেব আলী আকুঞ্জি জানান, অন্য আসামীরা আটক না হওয়ায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
You must be logged in to post a comment.