প্রসঙ্গ : পাবলিক পরীক্ষায় ইংরেজি

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
রবিবার, ২২ জুলাই, ২০১৮, ১০:২৩ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার।।

বেশি পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া মানেই মানসম্মত শিক্ষার মাপকাঠি নয়, এটা সরকার বুঝেছে। লিখলেই নম্বর দিতে হবে, এ প্রবনতা থেকে বের হওয়ার সুফল মিলেছে এবার। ফেল করা সোয়া চার লাখ পরিক্ষার্থীর মধ্যে ইংরেজীতে ফেলের হার সর্বোচ্চ। এর পেছনের কারনটা কী আমরা খতিয়ে দেখেছি?
এই যে একটা পাবলিক পরিক্ষা,যার সাফল্য ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উদ্ধুদ্ধ করে, জীবনের মোড় ঘুরানোর একটা উপায়, সেটা কী আদৌ আমরা বুঝি। এতে গুরুত্ব না দেয় অভিভাবক,না দেয় শিক্ষার্থী, না দেয় শিক্ষক। বর্তমানে অধিকাংশ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইংরেজী বিষয়টাকে শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার তাগিদে, পরিক্ষা পাসের জন্য ব্যবহার করে। ইংরেজি প্রশ্নপত্র যে সিলেবাসে তৈরী হয়, তা কী আদৌ শিক্ষার্থীর জানার আগ্রহ সৃষ্টি করে, করে না।
এছাড়াও ইংরেজির শিক্ষকদের গুনগত মান নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়, যেভাবে পাঠদান করা উচিত, শ্রেণীকক্ষে ঠিক সেইভাবে তা করা হয় না। বিগত কয়েক বছর ধরে যেভাবে ইংরেজির খাতায় নম্বর প্রদান করা হচ্ছিল, তা একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্হা। আসল ব্যপারটা হলো কখনও একটু ছাড় দিয়ে পাশ করানোর নির্দেশ থাকে কিন্তু এবার তা হয়নি। যার ফলে ২৫-২৮ পাওয়া পরিক্ষার্থীকেও পাস মার্ক দেয়া হয়নি। এদিক থেকে নিশ্চয়ই এটাকে ফল বিপর্যয় বলা যায়না। 


পরিশেষে বলতে পারি, এখনকার অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা কিছু পড়েও না, পারেও না। ঠিক মত খাতা দেখলে ৩০% ও পাশ করত না। দেশের শতকরা ৫০% ছাএ বিপথগামী ।।। আমার হিসাবে পাশের হার অনেক বেশিঠিক মত খাতা দেখলে ৩০% ও পাশ করত না। দেশের শতকরা ৫০% ছাএ বিপথগামী ।।। আমার হিসাবে পাশের হার অনেক বেশি

সূত্র : Ashish Sarker এর ফেসবুক ওয়াল

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ