পায়ে হাটাও দায়! 

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
রায়পুর-লক্ষ্মীপুর উপজেলার মেঘনা উপকলীয় বেড়িবাঁধ সড়ক।

মোহাম্মদ আলী, লক্ষ্মীপুর ।।

সড়কজুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। পিচ ঢালাইয়ের অস্তিত্বই নেই। হেঁটে চলাচল করাও দায়। এমন চিত্র রায়পুর-লক্ষ্মীপুর উপজেলার মেঘনা উপকলীয় বেড়িবাঁধ সড়কের। ৩০ কিলোমিটারের এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত চরভৈরবী, হায়দরগঞ্জ, চর আবাবিল, লক্ষ্মীপুর ও মোল্লার হাট ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের। শুক্রবার সরেজমিন সড়কটির বেহাল চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়াও উপজেলার অভ্যন্তরীণ ১৫০টি সড়কের এখন করুণ হাল। এ এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ পাঁচ-ছয় বছর ধরে ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

জানা গেছে, রায়পুর উপজেলার আয়তন ২০১.৩২ কি.মি (৭৭.৭৩ বর্গমাইল)। এলজিইডির আওতাধীন উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে পাকারাস্তা ৬৪ কিমি, আধা-পাকারাস্তা ৫৯ কিমি, কাঁচারাস্তা ৮২৭ কিমি। বেড়িবাঁধ ৯৬.৫ কিমি সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ১৫০ সড়কে গর্ত হয়ে এখন বেহাল। এ সড়কগুলো প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। গেল বর্ষা মৌসুমে কিছু সড়কে ইট বিছিয়ে যান চলাচলের জন্য গর্ত ভরাট করা হয়। কিন্তু সেগুলো বেশিদিন টেকেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে লক্ষ্মীপুর এলজিইডির প্রকৌশলী বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, দরপত্র হওয়ার পর কাজগুলো দুই থেকে তিনজন ঠিকাদারের হাতবদল হয়। বেচাকেনা হতে হতে দরপত্রের টাকার অঙ্ক অর্ধেকে চলে আসে। এতে কাজের মান ঠিক থাকে না। চর আবাবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদ উল্যা বলেন, রায়পুর-চরভৈরবী-লক্ষ্মীপুরসহ ৬টি ইউনিয়নে একমাত্র বেড়িবাঁধ সড়কটি খুবই খারাপ। সড়কের পিচঢালাই উঠে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্তের। পথ চলতে গিয়ে প্রতিদিনই কেউ না কেউ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

 

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ