অন্যদৃষ্টি অনলাইন।।
জামায়াত ও হেফাজতসহ সকল যুদ্ধাপরাধীকে স্বতন্ত্র বা জোটগতভাবে জাতীয় নির্বাচন থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। তবে নির্বাচন কমিশন সচিব বলছেন, স্বতন্ত্র হিসেবে কোনও প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তাকে বাধা দেয়ার আইনি এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নেই।
মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেয় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। এদিন আট সদস্যের প্রতিনিধি দল এ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করে।
এরপর নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির গণমাধ্যমকে বলেন, তারা চান সংবিধানপরিপন্থী কোন বিষয়কে নির্বাচনে যেন প্রাধান্য না দেয়া হয়। সেইসঙ্গে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
সংগঠনটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে ২০০১ ও ২০১৪ সালের পুনরাবৃত্তি না হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কিংবা জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের নেতারা স্বতন্ত্রভাবে বা ব্যক্তি পরিচয়ে অন্য দলের প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন এবং জয়ীও হচ্ছেন। এ ব্যাপারে আমরা কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি যে আইনি কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় কি না।’
পরে কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সবার পরামর্শ বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, এই বিষয়ে এখনও কোন আইন আমাদের দেশে নেই। যদি সংশোধনের কোন বিষয় থাকে তাহলে আমরা তা বিবেচনা করবো। কোনও দল বা দলের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া যাবে না, এটা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে বলা সম্ভব নয়।’
এ কারণে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বাধা দিতে হলে আরপিও সংশোধন করতে হবে বলেও জানান তিনি।
You must be logged in to post a comment.