শেখ সাইফুল ইসলাম কবির।।
বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের নারী ইউপি সদস্য আরিফুন্নাহার বিউটির বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাছিমা বেগম। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকে তার পেছনে লেগে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে একের পর এক কাল্পনিক অভিযোগ দাখিল করছেন প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে।
সম্প্রতি ওই পরাজিত প্রার্থী প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে ফেয়ার প্রাইজের চাল আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। ভিত্তিহীন এমন অভিযোগ তুলে সম্মানহানীর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন নাছিমা বেগম ও তার সমর্থকরা। বৃহস্পতিবার শরণখোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওই নারী ইউপি সদস্য প্রতিপক্ষের অব্যাহত ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতে প্রশাসনে সহযোগীতা চেয়েছেন।
লিখিত বক্তব্যে ইউপি সদস্য আরিফুন্নাহার বিউটি বলেন, আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নাছিমা বেগম যেসব সুবিধাভোগীর নামের চাল আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন তারা প্রতিমাসে তাদের চাল উত্তোলন করে ভোগ করছেন। যার প্রমান হিসেবে ওই সকল সুবিধাভোগীর লিখিত প্রত্যয়নপত্র রয়েছে।
এছাড়া, যারা সরকারের একাধিক সুবিধা ভোগ করছেন তাদের কার্ড বঞ্চিতদের দেওয়া হয়েছে। এখানে আত্মসাতের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
এমনকি, ১৮জন সুবিধাভোগীর কার্ড হারিয়ে ফেলায় তার পরিবর্তে তাদের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে চাল উত্তোলন করেছেন। যেখানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী যারা একাদিক সরকারী সহায়তা পায় তাদের নাম ফেয়ার প্রাইজের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে যারা কোনো সুবিধা পাচ্ছে না তাদের নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে চাল দেওয়া হচ্ছে। এখানে ইউপি সদস্যের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
You must be logged in to post a comment.