বায়জিদ হোসেন, বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
মোংলা উপিজেডে বর্তমান ২২৮ টি বিভিন্ন কারখানা চলমান রয়েছে। এসব কারখানায় বর্তমান শ্রমিকের সংখ্য প্রায় ৪ হাজার প্রায়। গত ১০ বছরে মোংলা ইপিজেডে রফতানি বেড়েছে ১৬ গুন ও বিনিয়োগ বেড়েছে ১১ গুন।
বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়া অঞ্চল (বেপজা) এর মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) নাজমা বিনতে আলমগীর জানান , প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী সিদ্ধান্তে ১৯৯৪ সালে ২৮৯ একর জমির ওপার মোংলা ইপিজেড গোড়েতোলা হয়। পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইপিজেড ও বন্দর অচল করে দিয়ে ছিলো। পরে ১০০৯ সালে আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত ১০ বছরে এই ইপিজেডের গুনগতো পরিবর্তন এসেছে। ২০০৮ সালে
মোংলা ইডিজেডে বিনিয়োগ করা হয়েছিলো ৪৫ কোটি টাকা। আর ২০১৮ সালে বিনিয়োগ হোয়েছে ৫১০ কোটি টাকা।
এদিকে বিগত ১০ বছরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে ১১ গুনের ও বেশি। ২০১৮ থেকে ইপিজেডে রপ্তানি হয়েছে ২৯৫ কোটি টাকার পন্য। যেখানে গেলো বছরে পন্য রফতানি হয়েছে চার হাজার ৭০৫ কোটি টাকার। সেই হিসাবে ১৬ গুন রপ্তানি বেড়েছে এই শিল্প অঞ্চলে বলে জানান তিনি। খুলনা সিটিকর্পারেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আঃ খালেক বলেন মোংলা বন্দরের আশেপাশে যাতে শিল্পয়ন হয় সেই বিবেচোনায় ১৯৯৮ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোংলা ইপিজেডের কার্যক্রম চালু করেন কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইপিজেড ও বন্দর অচল করে দিয়েছিলো। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশে পুনরায় ইপিজেড ও বন্দর সচল হয়।
এখন ৪৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে এই ইপিজেডে। আপনারা জানেন এই অঞ্চলের জন্য ইপিজেড অনেক গুরুত্ব বহন করে। কেসিসি মেয়র আরো বলেন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকলে এই জনপদের প্রতিটি বেকার নারী-পুরুষ আলোর মুখ দেখবে, আমি মনে করি এই ১৫ টি কারখানা পূনরায় চালু হলে কোন বেকার থাকবেনা। এদিকে মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল বলেন ইপিজেট ব্যবহারে এই অঞ্চলের হাজার হাজার বেকার লোকেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে এই ইপিজেডে। এই ইপিজেডের কারনে মোংলা বন্দর সহ এই অঞ্চলের উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।
You must be logged in to post a comment.