জিএম শাওন।।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশ হতো উন্নত দেশ। ৪৮ বছরে আমরা যতটুকু অগ্রসর হয়েছি আরও বেশী অগ্রসর হওয়া সম্ভব ছিল যদি শিক্ষার সাথে কাজের মিল থাকতো।
দক্ষ জনশক্তিই পারে একটি উন্নত রাষ্ট গড়তে। আর দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সঠিক শিক্ষা ব্যবস্হার বিকল্প নাই। আমাদের বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার বড় অভাব । যতটুকু আছে তারও প্রয়োগ নাই। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্ররা আজ ব্যাংকের চাকুরী করছে। অথচ বানিজ্য বিভাগের ছাত্রদের কর্মসংস্থান হচ্ছে না। শুধু এক্ষেত্রে নয় সর্বত্র লক্ষ্য করলে দেখা যাই পেশার সাথে শিক্ষার মিল নাই। তাই একদিকে যেমন কাজের গতি কমছে অন্যদিকে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হচ্ছে না। কোটার বিড়ম্বনা ও কম না ।
এ কোটা পদ্ধতির ফলে অযোগ্য লোক যোগ্য লোকের আসনে বসে কাজের স্বাভাবিক গতি কমিয়ে ফেলছে। মেধাবীরা আগ্রহ হারাচ্ছে। এখনই সময় শিক্ষাব্যবস্হার পরিবর্তন করা। সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলে আগামি ৪৭ বছরেও দেশকে উন্নত রাষ্টে পরিণত করা সম্ভব নয়। শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয় দরকার জাতিগত উন্নয়ন। পদ্মা সেতু তৈরি করলেই হবে না দরকার তার ব্যবহার ও সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ।
বর্তমানে সমাজ তথা রাষ্ট্রে নৈতিকতার বড় অভাব আর এ নৈতিকতা তৈরির একমাত্র উপায় নৈতিক শিক্ষা। তাই আগামীতে শিক্ষাব্যবস্থার জাতীয়করণের লক্ষ্যে বাজটে পুর্নাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাড়ী ভাড়া দিতে হবে। বাজেটের পুর্বে প্রাকবাজেট আলোচনায় বেসরকারি শিক্ষকদের বৈষম্য তুলে ধরে জাতীয়করণের জোর দাবি তুলতে হবে।
লেখক
যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম
You must be logged in to post a comment.