বায়জিদ হোসেন, (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ।।
জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
৭ ফেব্রুয়ারী’১৯ বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্দর ভবন চত্বরে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর একেএম ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাজেশ কুমার রায়না, বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) ইয়াসমিন আফসানা, সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও মংলা-রামপাল সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল আলম।
এ সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, ‘মংলা বন্দরেরর উন্নয়নমুখী কর্মকান্ড আজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বায়নে রোল মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি মনে করি, বর্তমান সরকার এই বন্দরকে নিয়ে নানা উন্নয়নমুখী কর্মযোগ্য হাতে নিয়েছে সেটা আগামীতে বন্দর রপ্তানী-আমদানী আরো গতিশীল ও ত্বরান্বিত করবে।’
উপমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আপনারা জানেন বিগত সরকারের শাসনামলে বন্দর হয়েছিল
মৃত্যু বন্দর। বর্তমান সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর এই বন্দর আজ নানা উন্নয়নের কাজের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।’
মংলা বন্দরের সর্বোচ্চ তেল পরিবাহী শিপিং এজেন্ট স্টারপাথ সী ট্রেড লিমিটেড (খুলনা)’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সর্বোচ্চ তেল আমদানীকারক শুনশিন এডিবল অয়েল লিমিটেড (মংলা)’র বিভাগীয় প্রধান (সাপ্লাই চেইন) মঈন উদ্দিন আহমেদ খান, সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী শিপিং এজেন্ট ইউনিক মেরিটাইম লিমিটেড (খুলনা)’র পরিচালক বদিউজ্জামান টিটু, এককভাবে সর্বোচ্চ নিজস্ব পণ্য নদী পথে পরিবহন, এলপিজি ও ক্লিংকার আমদানীকারক বসুন্ধরা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (মংলা)’র নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী নবারুন কুমার সাহাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে অবদান রাখায় ২৩ জন বন্দর ব্যবহারকারীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
এরপর দুপুর ২টায় আমন্ত্রিত অতিথি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অন্যদৃষ্টি/এলিস হক
You must be logged in to post a comment.