ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১৮, ১০:০২ অপরাহ্ন

এন আই শান্ত,কোটচাঁদপুর, ঝিনাইদহ।।
ঝিনাইদহের কোচাঁদপুর ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিষ্টবিউশন কোং লিঃ এর নামে নানা অভিযোগ ও গ্রাহক হয়রানি ও মিটার রিডিং বাদে বিল তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায় কোটচাঁদপুর ওজোপাডি কোঃ লিঃ এর আওতায় বিদ্যুৎ অফিস এর নামে নতুন সংযোগ দিতে অর্থ বাণিজ্য ও বিদ্যুৎ বিল তৈরি মিটার রিডিং বাদে হচ্ছে।পৌর এলাকায় ৮ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মূল হকের ছেলে শফিকুল হক ও মৃত শনির দেলে ঈদে বলেন আমরা নতুন সংযোগ নিতে চাইলে আবেদন বাবদ ৫০০/- টাকা নিয়েছে। এরপর আবেদন পাশ হয়ে আসার পরও ৫৭০০/- টাকা নিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। আরও বছর খানিক আগে সংযোগ নেওয়া মৃত মঙ্গলার দেলে শরিফুল বলেন আমার নতুন বিদ্যুত মিটার নিতে সর্বমোট ৮০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।এ ব্যপারে ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার শারাফৎ হোসেন বলেন আমার বিদ্যুৎ এর মিটার সংযোগ নিতে সার্ভিস তার ও মিটার বাদেই শুধু অফিসকেই ৪৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন বর্তমানে ৬০০০ টাকা নিয়ে কোন ব্যক্তিই বিদ্যুৎ এর সংযোগ নিতে পারছে না।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন ইলেকট্রিশিয়ান বলেন যদি কোন বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পরে তাহলে বিদ্যুৎ এর সংযোগ কর্তন ও আবার সংযোগ নিতে ১২০০ টাকা দিতে হয় বিদ্যুৎ অফিসকে।এদিকে ৮নং ওয়ার্ড বাসিন্দা সাংবাদিক আজিজুল হক জানান, আমার গত জুন মাসের ২১ তারিখে আমার মিটার রিডিং ছিল ৩৭০ কিন্তু বিদ্যুৎ এর লাইনম্যান মিটার না দেখেই আমার বিদ্যুৎ বিলে মিটার রিডিং ৪১৫ দেখিয়ে বিল করেছে। আমি এর আগেও তাদেরকে এব্যাপারে অভিযোগ করেছি যে লাইন ম্যান অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করে তারা বলেছিল, পরবর্তীতে এমন আর হবে না। কিন্তুপুনরায় জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল শুধু আমার না ৮ নং ওয়ার্ড বড় বামনদহ গ্রামের অনেকেরই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
এ ব্যাপারে কথা হয় কোটচাঁদপুর আবাসিক প্রকৌশলী মনোয়ার জাহিদের সাথে তিনি জানান, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন ফি ১১৫ টাকা এবং সংযোগদিতে অন্যান্য ফি বাবদ কত টাকা জানতে চাইলে তিনি বলেন যে, আপনারা অফিসে আসেন আসলে বলব মোবাইলে এসব কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তার কাছে বিদ্যুৎ বিল সংশোধনের কথা বললে তিনি বলেন যেটা হয়েছে সেই পরিমান টাকাই আপনার দিতে হবে।এদিকে গত এক সপ্তাহ যাবত বিদ্যুৎ অফিসের সামনে সরেজমিন গিয়ে দেখা গিয়েছে, প্রতি দিনই ৫-৭ জন গ্রাহক অফিসে গিয়ে অভিযোগ করছেন বিল বেশি লেখার জন্য এবং মিটার রিডিং না দেখার কারণ জানতে চাচ্ছেন।এ ব্যপারে আবাসিক প্রকৌশলী বলেন, আমার কিছু করা নেই। বিল যা এসেছে তাই দিতে হবে।সাধারন জনগণের দাবি সঠিক ভাবে নতুন সংযোগ নিতে নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া এবং প্রতি মাসে মিটার রিডিং দেখে বিল তৈরি করা।
Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ