শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার জয়ণগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড চর খোরাতলা, চর কামার গ্রামে জন গুরুত্বপূর্ণ একটি পাকা সড়কের বেহালদশা ভোগান্তিতে স্থানীয় জনগণ ও পথচারী ব্যাক্তিরা।
সরজমিন ঘুরে স্থানীয় ব্যাক্তিদের সাথে আলাপ কালে জানা যায় যে, গত বর্ষা মৌসুমে অপরিকল্পিত ভাবে নদী ড্রেজিং করার ফলে চর খোরাতলা চর খামার গ্রামে এলজিইডি নির্মিত প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক ও কিছ ুসংখক বাড়ী ঘর নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায়
জাজিরা উপজেলার জয়ণগর ইউনিয়নের চর খোরাতলা, চর খামার, চর ধিপুর, ছোট গোপালপুর এলাকার বসবাসরত, কৃষক শ্রমিক, রিকশা ভ্যান চালক, স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষার্থী, পথ চারী যাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার , প্রায় বিশ হাজার পরিবার নানা ভোগান্তিতে পরেছে।
স্থানীয় ব্যাক্তিরা আরও বলেন পাকা সড়কটি সংস্কার ও নদী ভাঙ্গণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন মোঃ ইসমাইল হোসেন খান এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোবারক আলী সিকদার কে বারবার অবহিত করা হয়েছে, কিন্তু পরিতাপের বিষয় অধ্যবধি নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও পাকা সড়কটি সংস্কার ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
এ ব্যাপারে জয়ণগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন মোঃ ইসমাইল হোসেন খান, এর সাথে মুঠো ফোনে অলাপ কালে তিনি বলেন এ বিষয়টি আমি উপজেলা উন্নয়ন সভায় বার বার উপস্থাপন করেছি এবং জাজিরা উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমাকে আশ^স্থ্য করেছেন বিষয়টি তারা দেখবেন।
জাজিরা উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফুউজ্জামান ভূঁইয়া এর সাথে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ এবং সড়ক সংস্কার বিষয় আলাপ কালে তিনি বলেন বিষয়টি অমি শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নায়ন বোর্ড প্রকৌশলী কে অবগত করেছি, তারা ব্যাবস্থা গ্রহণ না করলে আমি কি করবো।
জাজিরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যন মোবারক আলী সিকদার, এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন অমি শারিরীক ভাবে অসুস্থ্য।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ওহেদুজ্জামান বলেন, রাস্তারটি সংস্কার ও নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং নতুন এসাইনমেন্ট নির্ধারণের জন্য স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ চলমান রয়েছে।
শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকৌশলী আহ্সান হাবিব বলেন, জাজিরা উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি আমাকে কেউ অবগত করেনি ।
You must be logged in to post a comment.