মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি।।
পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হওয়ার আর মাত্র কয়দিন বাকী। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খোলা রয়েছে। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ির উদ্দেশে হলত্যাগ করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) অধিকাংশ শিক্ষার্থী। খুব অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এখনো অবস্থান করছেন হলে। পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা।
ক্যাম্পাস ফাঁকা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নের আশঙ্কা। আগে থেকেই ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। বহিরাগত ছাড়াও চুরি, মাদকসেবন ও ছিনতাইকারীর দল তো আছেই।
এছাড়া ক্যাম্পাসের সেকেন্ড গেট সংলগ্ন দোকান মালিকদের কাছেও সব সময় জিম্মি হয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সামান্য একটু কথা কাটাকাটি হলেই মারধর করে শিক্ষার্থীদের। বিগত বছরগুলোতে শিক্ষার্থীরা একাধিকবার মারধরের শিকার হয়েছে এসব দোকান মালিকদের কাছে। তাছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতরা সহজেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আড্ডা জমাতে পারেন বিভিন্ন পয়েন্টে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার তেমন কোনো টহল না থাকায় মাঝে মাঝে এদের কাছে ছিনতাই ও হেনস্থার শিকার হতে হয় শিক্ষার্থীদের। এজন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রক্টোরিয়াল বডির টহলের অপর্যাপ্ততার কথা জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষার্থী জানান, ঈদের সময়টাতে আমরা যারা হলে থাকি তাদের প্রচণ্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। সার্বক্ষণিক একটা ভয় কাজ করে যে, কখন কে এসে কি করে!
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সঞ্জয় সাহা বলেন, ছুটির সময়ে ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রক্টরিয়াল বডি প্রতিদিন ক্যাম্পাসজুড়ে টহল দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, এবারে পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি ১৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খোলা রয়েছে।
You must be logged in to post a comment.