রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ ভাইয়ের ভাগ্নে মোঃ মাসুদ রানাকে গত রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ইন্তিকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।
তার নামাজের জানাজা শেষে বিকালে উপজেলার গহমাবোনা কবর স্থানে দাফন করা হয়। দলমত নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি প্রমান করে তিনি কত ভাল মানুষ ছিলেন। তাকে এক নজর দেখার উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বাড়ীতে মাসুদের লাশ আসার সাথে সাথে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারনা হয়, কে কাকে শান্তনা দেবে তার যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন। কান্নায় আশে পাশের বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
উল্লেখ্য গত রবিবার গোদাগাড়ীতে পুকুর মালিক মাসুদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মাছ চোরেরা উপজেলার লালাদীঘি এলাকায়।
এলাকাবাসি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের চাঁপাল এলাকার স্বপনের ছোট ভাই, মাসুদ তার লীজকৃত পুকুরের মাছ মারার জন্য আগের দিন সকালে পুকুরেরনকাঁটা, বাঁশসহ অন্যান্য জিনিস উত্তোলন করে রাখেন এবং জেলেরাকে ঠিক করেন মাছ ধরার জন্য।
মাসুদ ও তার বন্ধু লিটন দুজন রাত ১০ টার দিকে পুকুর এলাকায় যায় এবং পুকুর পাড়ে টিনের মাচানের উপর ঘুমিয়ে থাকেন। এসময় ১০/১২ জনের মাছ চোরের সংঘবদ্ধ একটি দল প্রথমে এসে তাদের হাত, পাঁ, চোঁখ,মুখ বেঁধে ফেলেন এবং মারধোর করেন। চোরেরা পুকুরের মাছ ধরা শুরু করেন।
এসময় মাসুদের ঠিককরা জেলেরা মাছ ধরার জন্য আসলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বস্তায় মাছ রেখে মাসুদকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহিত মাসুদের পিতার নাম মৃত. আব্দুল খালেক সরকার, বাড়ী উপজেলার চাঁপাল গ্রামে।
এব্যপারে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাসুদ হত্যা কান্ডের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামী ধরার ব্যপারে জোর তৎপরতা চলছে।
You must be logged in to post a comment.